
বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। শনিবার রাতে বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“এর আগেও পঞ্চগড়ে এনসিপির প্রোগ্রাম চলাকালে বিদ্যুৎ গেছে। নেসকোর যে মালিক তাকে এবং তার বাপকে জবাব দিতে হবে। তিন দিনের তিন দিনই একই ঘটনা ঘটেছে। যারা এটা করছে, তারা রাজনৈতিক দেউলিয়া। তাদের কলিজা ছিঁড়ে রাস্তায় ফেলে রাখব।”
পঞ্চগড় শহর থেকে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত চাঁদাবাজি ও সব ধরনের অপকর্মের বিরুদ্ধে এনসিপির লংমার্চের সমাপ্তি বক্তব্যে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে পঞ্চগড় জেলা শহরের শেরেবাংলা পার্কসংলগ্ন জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে এই বক্তব্য দেন সারজিস আলম।
নিজের নাম উল্লেখ করে তিনি আরও ঘোষণা দেন,
“এর পর থেকে কোনো প্রতিষ্ঠান পঞ্চগড়ে যদি রাজনৈতিক পক্ষপাতমূলক আচরণ করে, ওই প্রতিষ্ঠান আর এখানে থাকবে না। এটা আমার নিজের কমিটমেন্ট। খুনি হাসিনার মতো স্বৈরাচারকেও গোনায় ধরি নাই, নেসকোর কিছু কর্মকর্তাকে ধরারও দরকার মনে করি না।”
সারজিস আলম বলেন, “যখনই কেউ চাঁদাবাজ, দখলদার, সিন্ডিকেট, মাদক ব্যবসায়ী ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কথা বলে, তখনই বাধা দেওয়া হয়। কিন্তু আমরা স্পষ্ট করে বলি—পঞ্চগড়ের মাটিতে এইসব অপকর্মকারীদের শান্তির ঘুম আর হবে না। সময়ের অপেক্ষা মাত্র।”
এর আগে, শনিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে পঞ্চগড় চিনিকল মাঠ থেকে বাংলাবান্ধার উদ্দেশে লংমার্চ শুরু হয়। এতে শতাধিক মোটরসাইকেল ও পিকআপ ভ্যানে এনসিপির নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
লংমার্চে নেতৃত্ব দেন সারজিস আলম, সঙ্গে ছিলেন পঞ্চগড় জেলার পাঁচ উপজেলার প্রধান সমন্বয়কারীরা ও জাতীয় যুবশক্তির নেতা-কর্মীরা।