
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হোসেন হত্যা মামলায় সব আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। রোববার বেলা দুইটার দিকে রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক জুলফিকার উল্লাহ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
মামলায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা সহ ১১৪ জন আসামি ছিলেন। এর মধ্যে ৯ জন ইতিমধ্যে মারা গেছেন। রায়ের সময় ২৫ জন উপস্থিত ছিলেন।
রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আলী আশরাফ মাসুম জানান,
“সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামিদের বিরুদ্ধে সন্দেহাতীতভাবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত সবাইকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।”
ফারুক হোসেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি রাতের সময় হল দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ফারুক হোসেন নিহত হন এবং তাঁর লাশ ম্যানহোলে পাওয়া যায়।
পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম (অপু) নগরের মতিহার থানায় ৩৫ জন জামায়াত-শিবির নেতা–কর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং আরও ২০–২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
২০১২ সালের ২৮ জুলাই পুলিশ আদালতে ১,২৬৯ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র দাখিল করে। এতে জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের পাশাপাশি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিবিরের তৎকালীন নেতা–কর্মীরা অভিযুক্ত হন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আলী আশরাফ মাসুম জানান,
“রায়ে খুশি-অখুশি এখনই বলা যাবে না। আগে রায়টা দেখি। তবে মামলাটা করার সময় প্রকৃত আসামিদের আড়াল করে রাজনৈতিক কারণে অন্যদের আসামি করা হয়েছিল।