
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, আসামিকে গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আদালতে হাজির করতে হবে। এরপর আদালত যেখানে রাখার নির্দেশ দেবেন, আসামি সেখানে থাকবেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোন জায়গাকে কারাগার ঘোষণা করা হবে, তা সরকারের সিদ্ধান্ত—এটি ট্রাইব্যুনাল বা প্রসিকিউশনের বিবেচ্য নয়।
আজ সোমবার বিকেলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঢাকা সেনানিবাসের একটি ভবনকে সাময়িকভাবে কারাগার ঘোষণা করেছে—এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ মন্তব্য করেন।
চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, “সরকার চাইলে যে কোনো স্থানকে সাবজেল বা কারাগার ঘোষণা করতে পারে। সেটা কেন্দ্রীয় কারাগার, সংসদ ভবন, এমপি হোস্টেল কিংবা অন্য কোনো ভবনও হতে পারে। তবে আসামিকে গ্রেপ্তারের পর আইন অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতেই হবে—এটাই মূল বিষয়।”
তিনি আরও বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মানেই পুলিশ। সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা নেই। সেনারা কেবল পুলিশকে সহায়তা করতে পারে, কিন্তু নিজেরা কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারে না।”
উল্লেখ্য, সম্প্রতি মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি মামলায় ২৫ জন সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৫ জন সেনা হেফাজতে রয়েছেন। এ বিষয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, সেনাবাহিনীকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে যাতে তারা পুলিশকে সহযোগিতা করতে পারে, তবে গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা কেবল পুলিশেরই রয়েছে।