
১ অক্টোবর প্রকাশিত একটি নোটিশে ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্বাক্ষরিত ঘোষণা অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে কেয়া কসমেটিকস লিমিটেডের নিট কম্পোজিট ডিভিশন, স্পিনিং ডিভিশন, কটন ডিভিশন ও কেয়া ইয়ার্ন মিলস লিমিটেড বন্ধ থাকবে। একই নোটিশে ১৭০ শ্রমিকের নামের তালিকা সাঁটানো হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, বাজারের অস্থিতিশীলতা, ব্যাংকের হিসাব জটিলতা, কাঁচামালের অভাব ও ক্রয়াদেশ কমে যাওয়ার কারণে উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ফলে শ্রমিকদের চাকরি ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত বহাল থাকবে, এরপর ১ নভেম্বর থেকে চাকরি অবসান হয়েছে বলে গণ্য হবে।
এক শ্রমিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “প্রায়ই কারখানা বন্ধের ঘোষণা দিয়ে কিছু শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়।”
আরেক শ্রমিক আবদুল হাকিম জানান, “কারখানা ঠিকই চলছে, কিন্তু ছাঁটাইয়ের অজুহাতে বন্ধের ঘোষণা দেয়। এখন নতুন চাকরি পাওয়া খুব কঠিন হয়ে যাবে।”
কারখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে দুই হাজারের বেশি শ্রমিক কাজ করেন, যাঁদের মধ্যে প্রায় এক হাজার প্রতিবন্ধী শ্রমিক রয়েছেন। ব্যাংক জটিলতার কারণে এলসি খোলায় বাধা সৃষ্টি হচ্ছে, ফলে মালিকপক্ষ বড় ধরনের আর্থিক চাপে পড়েছে। তবে তারা এখনো কারখানা চালু রাখার চেষ্টা করছে।
এর আগে চলতি বছরের মার্চ মাসে ২,২০৩ শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়েছিল, যা নিয়ে শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করেছিলেন। এবার আবার নতুন করে ১৭০ শ্রমিককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
কেয়া গ্রুপের মানবসম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, “ব্যাংক জটিলতার কারণে এলসি করতে সমস্যা হচ্ছে। এজন্য মালিকপক্ষ বাধ্য হয়ে বন্ধের ঘোষণা দিচ্ছে। তবে যখনই নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়, আমরা আবার কারখানা চালু রাখার চেষ্টা করি।