
গাজা থেকে মুক্তি পাওয়া জিম্মিদের সঙ্গে ইসরায়েলি আলোচনা ও যুদ্ধবিরতি চুক্তি মধ্যস্থতায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূমিকা হামাসের মধ্যে আস্থা জোরদার করেছে। একসময় ট্রাম্পকে হামাস ‘বর্ণবাদী’ ও ‘অরাজকতার কারিগর’ আখ্যা দিয়েছিল, কিন্তু গত মাসে নজিরবিহীন ফোনালাপ এবং কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি সামলানোর দক্ষতার কারণে তাদের মধ্যে বিশ্বাস জন্মায় যে ট্রাম্প ইসরায়েলকে শান্তিচুক্তিতে বাধ্য করতে পারবেন।
গত মাসে কাতারে হামলার ঘটনায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা ট্রাম্পের কূটনৈতিক ক্ষমতা ও মধ্যস্থতার সক্ষমতা প্রমাণ করে। এই ঘটনার পর হামাসের নেতারা মনে করছেন, ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে দিতে দেবেন না।
গত বুধবার ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়েছে, যার ফলে ২০ জন জীবিত জিম্মি মুক্তি পেয়েছে। হামাস যদিও ঝুঁকিপূর্ণ বাজি নিয়েছে, কিন্তু ট্রাম্পের আন্তরিকতা ও মধ্যস্থতা তাদের আত্মবিশ্বাস জোরদার করেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের ২০ দফাবিশিষ্ট গাজা শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপ যুদ্ধের অবসান সুগম করতে পারে, যদিও দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়ন এখনো অনিশ্চিত। কাতারে ইসরায়েলের হামলার প্রতিক্রিয়া এবং ট্রাম্পের আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্ক গাজা অঞ্চলের আঞ্চলিক শক্তির কাছে তার বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করেছে।
মেটা কীওয়ার্ড:
হামাস, ট্রাম্প, গাজা যুদ্ধবিরতি, জিম্মি মুক্তি, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত, কাতার মধ্যস্থতা, গাজা শান্তি চুক্তি, মধ্যপ্রাচ্য কূটনীতি, ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনীতি