রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ নিয়ে ছয়জন রোগী পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার সকালে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঁচজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর আগে গত রোববার অপরজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল।
পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাসুদ রানা জানান, সর্বশেষ আক্রান্ত রোগীদের বাড়ি দাঁড়িয়াপুরে। তাঁদের মধ্যে পুরুষ চারজন, নারী একজন, যারা শরীরের বিভিন্ন অংশে ঘা নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন। স্থানীয় তথ্য অনুযায়ী, টুটুল মিয়ার অসুস্থ গরু জবাই করে গ্রামবাসীর মধ্যে বিতরণ করার পর ৮-৯ জনের শরীরে অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ দেখা দেয়।
জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয় জানায়, রংপুর জেলায় পীরগাছা, কাউনিয়া, মিঠাপুকুর, গঙ্গাচড়া ও পীরগঞ্জে মোট ৭৮ জন সন্দেহজনক রোগী পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ২৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নতুন পাঁচ রোগীর তথ্য এখনও এই তালিকায় যুক্ত হয়নি।
গত জুলাই ও সেপ্টেম্বর মাসে পীরগাছায় অ্যানথ্রাক্স উপসর্গ নিয়ে দুই নারী ও এক পুরুষ মারা গিয়েছিলেন। এছাড়া ৪ অক্টোবর গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের রোজিনা বেগম (৪৫) অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ নিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।
