
‘কালো উইকেট’—গত কয়েক দিনে বাংলাদেশ ক্রিকেটে আলোচিত বিষয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য এই উইকেটে স্পিন ফাঁদ ব্যবহার করা হয়েছিল, কিন্তু দ্বিতীয় ওয়ানডের পর প্রশ্ন উঠেছে, বাংলাদেশ নিজেদের ফাঁদেই পড়ল কি না।
গতকাল দলের প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সৌম্য সরকার এ বিষয়ে কিছুটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন, কিন্তু মাঠের খেলা দেখিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাটিং ও কৌশলে সমস্যায় পড়েছে। উইকেটের ধরন বুঝে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কৌশল সফল হয়েছে এবং সুপার ওভারে তারা ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা ফেরাতে সক্ষম হয়েছে।
প্রথম ওয়ানডেতে হারের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্রুত বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার আকিল হোসেনকে খেলা থেকে সরিয়ে এনেছিল। পরবর্তী দিনে ঢাকায় এসে আকিল সুপার ওভারে ৬ বলে ১১ রানে বাংলাদেশকে আটকে দেন।
বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা স্পিন ফাঁদে সুবিধা করতে পারেননি। বিশেষ করে অ্যালিক অ্যাথানেজের বোলিংয়ে ব্যাটসম্যানদের বড় ধাক্কা লেগেছে। শেষ পর্যন্ত রিশাদ হোসেন ১৪ বলে ৩৯ রান করে ২০০ পারের সংগ্রহ এনে দেন।
দলীয় প্রতিনিধি আকিল জানিয়েছেন, ‘উইকেটের ধরন অনুযায়ী সেরা একাদশ বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ডানহাতি-বাঁহাতি কম্বিনেশনে স্থির থেকেছি। ম্যাচ জেতার জন্য কী করা দরকার, সেইটাই মূল বিষয়।’
বাংলাদেশের স্পিনারদের কোটার শেষ হওয়ার পরও ওয়েস্ট ইন্ডিজের শাই হোপ ৬৭ বলে ৫৩ রান করে অপরাজিত থাকেন, যা বাংলাদেশের পরিকল্পনা নষ্ট করে দেয়। বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত সুপার ওভারে হেরে যায়।
তৃতীয় ওয়ানডেতেও যে একই ধরনের ‘ফাঁদ’ থাকবে কি না, তা এখনও প্রশ্নবিদ্ধ। তবে স্পিনের লড়াইতে বাংলাদেশকে সতর্ক থাকতে হবে।