বাঁ হাত ব্যান্ডেজে মোড়ানো ১৫ বছর বয়সী মো. আলী হোসাইন রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর) থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। চিকিৎসা অনুযায়ী তার বাঁ হাতের কনুই ভেঙেছে।
পরিবারের অভিযোগ, ৪ আগস্ট শৈলদাহ কাসেমুল মাদ্রাসার শিক্ষক শহীদুল মোল্লা শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গাছের মোটা ডাল দিয়ে আলী হোসাইনের ওপর আঘাত করেন। ফলে তার হাত ভেঙে যায়।
ঘটনার পর মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তির পরামর্শে প্রথমে কবিরাজের কাছে চিকিৎসা করা হলেও শিশুর অবস্থা আরও খারাপ হয়। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শিশু আইন ২০১৩-এর ৭০ ধারা অনুযায়ী শিশুকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
আলীর বাবা মো. এসকেন্দার খানের অভিযোগের ভিত্তিতে ২৬ আগস্ট চিতলমারী থানায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। প্রধান আসামি শহীদুল মোল্লা পলাতক রয়েছেন। অপর আসামি মো. আসলাম শেখকে গ্রেপ্তার করা হলেও পরে জামিনে ছাড়া পান।
অস্ত্রোপচার শেষে আলী হোসাইন ১৪ অক্টোবর বাড়ি ফিরে গেছেন। চিকিৎসার খরচ বাবার হাতে সীমিত অর্থ ও পরিবারের সহযোগিতায় চালানো হচ্ছে।
শিশুর মা গোলাপী বেগম জানিয়েছেন, নির্যাতনের কারণে সন্তান বর্তমানে গুরুতর শারীরিক ও মানসিক কষ্টে রয়েছে, এবং তার পূর্ণ পুনর্বাসনের জন্য সমর্থন প্রয়োজন।
