
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ফিটনেস ট্রেনার নাথান কেলি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিসিবিকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে ক্রিকেট অপারেশনস বিভাগের একটি সূত্র প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছে।
২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে দুই বছরের চুক্তিতে বাংলাদেশে যোগ দিয়েছিলেন এই অস্ট্রেলিয়ান ফিটনেস বিশেষজ্ঞ। তবে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাস আগেই চাকরি ছেড়েছেন তিনি। পারিবারিক কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কেলি।
প্রথম আলোকে তিনি বলেন,
“অস্ট্রেলিয়ায় আমার নবজাতক সন্তান ও স্ত্রীর পাশে থাকতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চাকরি ছেড়ে দিয়েছি। যেহেতু তাঁদের পাশে অন্য কেউ নেই, তাই পরিবারকেই অগ্রাধিকার দিয়েছি।”
গত মাসে এশিয়া কাপ চলাকালে স্ত্রী সন্তানের জন্মের সময় কেলি ছুটি নিয়ে দেশে ফেরেন। ২৪ সেপ্টেম্বর বাবা হওয়ার পর আর জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দেননি তিনি। এর ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানিস্তান সিরিজ এবং দেশে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ—দুটিতেই অনুপস্থিত ছিলেন তিনি। বর্তমানে দলের ফিটনেস ট্রেনারের দায়িত্ব পালন করছেন ইফতেখার রহমান।
দায়িত্ব নেওয়ার পর কেলি বাংলাদেশ দলের ফিটনেস প্রোগ্রামে আনেন বেশ কিছু পরিবর্তন। প্রচলিত বিপ ও ইয়ো–ইয়ো টেস্টের পাশাপাশি তিনি চালু করেন নতুন ফিটনেস মূল্যায়ন পদ্ধতি—‘টাইম ট্রায়াল’। এই পরীক্ষায় ক্রিকেটারদের চার চক্করে ১,৬০০ মিটার দৌড়াতে হতো, আর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দৌড় শেষ করলেই পাস হিসেবে বিবেচিত হতো।
এশিয়া কাপের আগে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা এবং পরবর্তীতে ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্টের খেলোয়াড়রাও এই নতুন ফিটনেস পরীক্ষায় অংশ নেন।
বাংলাদেশে যোগ দেওয়ার আগে নাথান কেলি কাজ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস ক্রিকেট দল এবং একটি রাগবি দলের ফিটনেস ট্রেনার হিসেবে।