
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত হামলাকারী তাৎসুইয়া ইয়ামাগামি। টোকিওর আদালতে বিচার শুরুর প্রথম দিনই ৪৫ বছর বয়সী ইয়ামাগামি বলেন, ‘সবই সত্য’।
২০২২ সালের নির্বাচনী প্রচারের সময় নারা শহরে স্থানীয়ভাবে তৈরি বন্দুক দিয়ে আবেন গুলিবিদ্ধ হন। হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন ৬৭ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
ইয়ামাগামি দাবি করেন, আবে এবং তার মা ইউনিফিকেশন চার্চে অর্থদানের কারণে পরিবারের সম্পূর্ণ দেউলিয়া হয়ে যায়। তার অভিযোগ, মা ওই চার্চে প্রায় ১০ কোটি ইয়েন (৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার) দান করেছিলেন।
এ ঘটনায় চার মন্ত্রী পদত্যাগ করেন এবং চলতি বছরের মার্চে টোকিও আদালত চার্চটি ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। বিচার চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত চলতে পারে। অভিযুক্ত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্বীকার করছেন।
জাপানে বন্দুক সহিংসতার হার কম থাকলেও আবে হত্যাকাণ্ডের পর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর হয়েছে।