
দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মুশতাক খান বলেছেন, “কোনো কামরায় বসে সবাইকে এক জায়গায় নিয়ে এসে চুক্তি স্বাক্ষর করলেই নতুন বন্দোবস্ত হয় না।” তিনি মনে করেন, ফ্যাসিস্টকে নামাতে সবাই মিলিতভাবে সফল হওয়ায় পরদিন বসে নতুন সমঝোতায় আসার চেষ্টাটা ভুল ছিল।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে ‘স্বল্প আস্থার সমাজে সংস্কার ও নির্বাচনী ঐক্যের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক আলোচনায় মুশতাক খান এই বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, “যুদ্ধ এখনও চলবে, আর এর থেকে লাফিয়ে গিয়ে বলা যে আমরা সবাই ঐকমত্যে নতুন সমাজ গড়ব, এটি একেবারেই অদ্ভুত চিন্তা।”
মুশতাক খান আরও উল্লেখ করেন, সমাজে ধনী, মধ্যম ও গরিব শ্রেণির মধ্যে স্বার্থের বিরোধ রয়েছে। তিনি বড় বড় টাকা পাচারকারী ‘অলিগার্কদের’ আইনের আওতায় আনার দাবি জানান এবং বলেন, “ক্ষমতার বিন্যাস আগে পরিবর্তন করতে হবে। না হলে দুই কক্ষ, তিন কক্ষ বা পিআর করা হলেও তারা আবার সব সেট করে দিতে পারবে।”
আলোচনা সভার আয়োজন করেছিল আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ)। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম। সভায় উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ এবং আপ বাংলাদেশের আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ।