দেশের গরিবদের খুব বেশি চাওয়া নেই, কিন্তু সচিবদের পাওয়ার অনেক। প্রথম আলো-র প্রতিবেদনের উদাহরণ দেখায় কিভাবে সাংবাদিকতা মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে।
বরিশালের রিকশাচালক সোহাগ মিয়া দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে রিকশা চালান। দিনে ৫০০–৬০০ টাকা আয় করা সোহাগকে প্রথম আলো প্রতিবেদন প্রকাশের পর একজন প্রবাসী রিকশা উপহার দেন, শিশুসন্তানদের পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হয়।
অন্যদিকে, সচিবরা প্রভাবশালী পদ ব্যবহার করে সরকারি জমিতে সস্তায় ফ্ল্যাট পেয়ে থাকেন। প্রথম আলো প্রতিবেদন প্রকাশের পর সরকার তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং ফ্ল্যাট বরাদ্দ বাতিল করে।
ছোট ও বড় বহু প্রতিবেদনে প্রথম আলো সরকারি নীতি ও অনিয়ম প্রকাশ করেছে, মানুষের সমস্যা তুলে ধরেছে এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ওপর প্রভাব ফেলেছে। উদাহরণ হিসেবে রয়েছে পুলিশ কমিশনার, ফাইভ-জি প্রকল্প, জ্বালানি তেল চুরি ও সুন্দরবনের অভিযান সম্পর্কিত প্রতিবেদন।
রাজীব আহমেদ লেখেন, প্রথম আলো ১৯৯৮ সালের যাত্রা থেকে সাহসী সাংবাদিকতা চালিয়ে আসছে, যা সরকারি নীতি পরিবর্তন এবং মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
উদ্ধৃতি:
“আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট চার বছর শাসন করেন, কিন্তু সুশাসনে সাংবাদিকতার অবদান থাকে চিরকাল।” – অস্কার ওয়াইল্ড
সংশ্লিষ্ট বিষয়: রাষ্ট্রশাসন, সংবাদপত্র, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, জনগণের কল্যাণ।
