
লিভারের একটি প্রধান কাজ হলো শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ যেমন ওষুধ, অ্যালকোহল ও পরিবেশগত দূষণকারী উপাদান বের করা। লিভারের জন্য বাইরে থেকে বিশেষ কোনো ডিটক্স ডায়েট বা সাপ্লিমেন্ট সাধারণত প্রয়োজন হয় না।
লিভার সুস্থ রাখতে প্রাকৃতিক খাবার ও মসলা ব্যবহার করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, হলুদের রসে থাকা কারকিউমিন লিভারের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত সাপ্লিমেন্ট হিসেবে হলুদ গ্রহণ করলে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
উদ্ভিদ মিল্ক থিসল, আদা, রসুন, গ্রিন টি, বিটরুট—সবগুলো লিভারের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে।
প্রচুর ফল, সবজি, শস্য এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি খাওয়া।
প্রক্রিয়াজাত খাবার, অতিরিক্ত চিনি ও লবণ এড়িয়ে চলা।
অতিরিক্ত অ্যালকোহল লিভারের জন্য ক্ষতিকর।
প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটা বা ব্যায়াম।
ব্যায়াম লিভারের চর্বি কমাতে সাহায্য করে।
স্থূলতা লিভারের ক্ষতি করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।
লিভার সুস্থ রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। লিভারের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।