সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে এখন থেকে ডোপ টেস্ট করানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রার্থী ও ভোটারদের নিয়ে অনলাইনে গুজব বা ব্যক্তিগত আক্রমণ ছড়ালে নির্বাচন কমিশনের মনিটরিং সেল ব্যবস্থা নেবে।
রোববার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নির্বাচনী আচরণবিধি থেকে এ তথ্য জানা যায়।
আচরণবিধির ‘মনোনয়নপত্র সংগ্রহ, দাখিল ও প্রত্যাহার’ অংশে বলা হয়েছে, প্রার্থীরা নিজের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগে ডোপ টেস্ট স্যাম্পল দেবেন এবং পাওয়া রসিদ মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেবেন। কমিশন সব প্রার্থীর ডোপ টেস্টের ফল সংগ্রহ করবে। কারও ফল ‘পজিটিভ’ হলে তার প্রার্থিতা বাতিল হবে। প্রয়োজনে ডোপ টেস্ট রিপোর্ট নিয়ে কমিশন গঠিত রিভিউ কমিটির মতামত নেওয়া হবে।
অনলাইন প্রচারণা–সংক্রান্ত অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আইনসিদ্ধ ও ইতিবাচক পদ্ধতিতে প্রচারণা চালানো যাবে। তবে গুজব, মানহানি, ব্যক্তিগত আক্রমণ, অশালীন মন্তব্য, ধর্ম বা বর্ণবিদ্বেষমূলক বক্তব্য কিংবা অসত্য তথ্য ছড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিশ্ববিদ্যালয় বা নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো প্রচারণাও করা যাবে না।
এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলে মনিটরিং সেল সংশ্লিষ্ট সাইট বা গ্রুপ বন্ধ, কনটেন্ট ডিলিট এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে।
আচরণবিধি লঙ্ঘনের শাস্তি হিসেবে অনুচ্ছেদ-১৮ এ বলা হয়েছে—যে কোনো প্রার্থী, প্রার্থীর পক্ষে কেউ বা কোনো ভোটার নিয়ম ভঙ্গ করলে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, প্রার্থিতা বাতিল, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার অথবা আইন অনুযায়ী অন্য শাস্তি দেওয়া হতে পারে। নির্বাচনসংক্রান্ত সব বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।
