
তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে পর্দায় উপস্থিতি কিংবা ব্যক্তিগত জীবন—সবকিছু মিলিয়েই অভিনেত্রী সংগীতা বিজলানি ছিলেন সংবাদ শিরোনামের কেন্দ্রবিন্দুতে। ১৯৮০–এর দশকে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করে দর্শকের মন জয় করলেও তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের আলোচিত অধ্যায়গুলোও কম সিনেমাটিক ছিল না।
১৯৮০–এর দশকের শেষভাগে সালমান খান ও সংগীতার পরিচয় প্রেমে রূপ নেয়। একসময় গুঞ্জন ওঠে—তাঁদের বিয়ের প্রস্তুতি এতটাই চূড়ান্ত ছিল যে বিয়ের কার্ড পর্যন্ত ছাপা হয়েছিল।
কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেই সম্পর্ক বিয়েতে গড়ায়নি। আজও কারণটি অজানা।
যদিও বিচ্ছেদের পরও দুজনের বন্ধুত্ব অটুট ছিল। সালমান নিজেই এক সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন—“সব প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও বিয়ে হয়নি।”
সালমানের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হওয়ার পর সংগীতার জীবনে আসেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন। তাঁর প্রথম দাম্পত্য ভেঙে যাওয়ার পর ১৯৯৬ সালে আজহারউদ্দিন ও সংগীতা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
প্রথম দিকে সংসার শান্তিপূর্ণ ছিল; সংগীতা সিনেমা ছেড়ে পরিবারে মনোনিবেশ করেন।
তবে সময়ের সাথে সম্পর্ক শিথিল হতে থাকে এবং ১৪ বছরের দাম্পত্যের পর ২০১০ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে।
৬৫ বছর বয়সেও সংগীতা বিজলানি পুরোদমে সক্রিয়—ফিটনেস, যোগব্যায়াম, আধ্যাত্মিকতা আর ভ্রমণে ব্যস্ত সময় কাটান।
নতুন সম্পর্কের নানা গুঞ্জন থাকলেও তিনি দৃঢ়—নিজের জীবন নিয়ে তিনি সুখী ও পরিপূর্ণ।
এখনো সালমান খান পরিবারের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক রয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে তাঁদের একসঙ্গে দেখা যায়।