নীল হুরেজাহান জানালেন, ‘এই অবেলায় ২’ গানটি বহু বছর আগের শুটিং হলেও জনপ্রিয়তার কারণে মানুষের প্রত্যাশা সব সময় রইেছে। তিনি মনে করেন, এটি প্রথম অংশের সঙ্গে তুলনা নয়, বরং একটি স্বতন্ত্র গান। চাপের চেয়ে আনন্দের অনুভূতিই তাকে বেশি প্রভাবিত করেছে।
শিরোনামহীন ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার প্রসঙ্গে নীল বলেন, ব্যান্ডের শেখ ইশতিয়াক ফোন করে অ্যালবামের পরিকল্পনা জানান। শেষ গান হিসেবে ‘এই অবেলায় ২’-তে মডেল হওয়ার প্রস্তাব পেয়ে তিনি রোমাঞ্চিত হন। গানটির শুটিং হয় থাইল্যান্ডের একটি দ্বীপে।
পানিতে ভেসে থাকার একটি দৃশ্যের পিছনে মজার গল্পও শেয়ার করেছেন নীল। তিনি ছোটবেলা থেকে পানিতে ভেসে থাকতে পারতেন, তাই শুটিংয়ে এটি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।
নীল শিরোনামহীনের অন্যান্য গান যেমন ‘বন্ধ জানালা’, ‘হাসিমুখ’, ‘ইচ্ছে ঘুড়ি’ এবং ‘এই অবেলায়’-কে নিজের পছন্দের তালিকায় রাখেন। এছাড়া, রাফার জন্য গান লেখা ও ‘হারিয়ে যাওয়ার শুরু’ অ্যালবামে কাজ করা তার জন্য আনন্দ ও সম্মানের বিষয়।
নিজের লেখা গানে তিনি মূলত আবেগ তুলে ধরেন। শোনা যায় যেন কোনো ব্যক্তি গানটি শুনে নিজের অনুভূতির সঙ্গে মিল খুঁজে পায়।
সঞ্চালনা, অভিনয় ও লেখালেখি—এই তিনটির মধ্যেই নীলের আনন্দের কেন্দ্রবিন্দু। অভিনয় তিনি কমই করেছেন, তবে ভালোবাসার কারণে এবং সময় সুযোগ মিলে কাজ করেছেন।
নিজের ব্যক্তিগত জীবনের কষ্টও তিনি ‘এই অবেলায় ২’-তে মেলাতে পেরেছেন। নীল জানালেন, ঘনিষ্ঠ মানুষদের হারানোর স্মৃতি এখনও তাকে স্পর্শ করে, যা গানটিতে আবেগের গভীরতা যোগ করেছে।
