
১৮ ডিসেম্বর রাতে প্রথম আলোর অফিসে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই আতঙ্কিত ছিলেন। তবে একদিন পরই যখন আবার প্রথম আলোর সংখ্যা হাতে আসে, পাঠকরা অনুভব করেন সেই অদম্য দায়িত্ববোধ ও দৃঢ়তার প্রতিফলন।
লেখক জানালেন, তিনি নিয়মিত প্রথম আলোর উপসম্পাদকীয়, খেলার পাতাসহ ধর্মীয় ও সামাজিক সংবাদ মনোযোগ দিয়ে পড়েন। পত্রিকাটি শুধু সংবাদ প্রকাশ করে না, বরং দায়িত্ববোধ ও সাহসিকতার প্রতীক। জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ও গাজার ঘটনা প্রতিবেদনে প্রথম আলোর সাহসী ভূমিকা বহুদিন পাঠকের মনে জায়গা করে নিয়েছে।
১৯৯৮ সালের ৪ নভেম্বর প্রথম আলোর উদ্বোধনী সংখ্যা থেকে আজ পর্যন্ত ২৭ বছরের বেশি সময় ধরে লেখক পত্রিকাটিকে সংরক্ষণ করছেন। প্রতিদিন সকালে পত্রিকাটি হাতে নেওয়া তাঁর জীবনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। হামলার পরও প্রথম আলোর দৃঢ়তা ও সত্যকে প্রতিষ্ঠিত রাখার প্রতিশ্রুতি পাঠককে অনুপ্রাণিত করেছে।