
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন–ভাতা কত হওয়া উচিত, তা নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের মতামত জানতে অনলাইন জরিপ শুরু করেছে জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫। আজ থেকে শুরু হওয়া এই জরিপ চলবে আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত। বাংলাদেশের যেকোনো নাগরিক পে কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়ে এতে অংশ নিতে পারবেন।
জরিপে অংশ নিতে পারবেন চার শ্রেণির ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান—সাধারণ নাগরিক, সরকারি চাকরিজীবী, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশন ও সমিতি।
মোট ৩৫টি প্রশ্ন রাখা হয়েছে সাধারণ নাগরিকদের জন্য। এর মধ্যে রয়েছে—একটি ছয় সদস্যের সরকারি চাকরিজীবী পরিবারের জন্য ন্যূনতম মূল বেতন কত হওয়া উচিত, মূল্যস্ফীতির সঙ্গে বেতন–ভাতা কীভাবে সমন্বয় করা হবে, শিক্ষা ও চিকিৎসা ভাতা বাড়ানো প্রয়োজন কি না, বাড়িভাড়া যথেষ্ট কি না ইত্যাদি।
এ ছাড়া প্রশ্ন রয়েছে—বেতন কম হওয়ার কারণে সরকারি চাকরিজীবীরা দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন কি না, অবসরের পর তাঁদের পাওয়া সুবিধা যথাযথ কি না এবং সেগুলো বাড়ানো উচিত কি না।
প্রশ্নমালার শুরুতেই বলা হয়েছে, জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫-এর উদ্দেশ্য হলো সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি ন্যায়সংগত, টেকসই ও ব্যাপকভিত্তিক বেতন কাঠামো প্রণয়ন করা।
কমিশনের ভাষ্য, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি ও উন্নয়ন কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতন কাঠামো তৈরি করা হবে। এজন্য সর্বস্তরের মতামত গ্রহণে এই জরিপ পরিচালনা করা হচ্ছে।
গত ২৭ জুলাই সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার।