
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে শাপলা ফুল শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতীকই নয়, এটি হয়ে উঠেছে শিশুদের বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও আনন্দের মাধ্যম। উপজেলার কাশিপুর গ্রামের মনিরা প্রতিদিন সকালে বন্ধুদের সাথে শাপলা তুলতে যায়। শাপলা সংগ্রহ শেষে সে ফুলগুলো দরিদ্র শিশুদের হাতে তুলে দেয়, যারা বাজারে বিক্রি করে পরিবারের আয় বাড়ায়।
মনিরার এ কাজ স্থানীয়দের নজর কেড়েছে। তারা বলছেন, শাপলা শুধু প্রকৃতির নয়, শিশুদের মধ্যে মেলবন্ধনেরও প্রতীক হয়ে উঠেছে। শাপলার সৌন্দর্য যেমন চোখ জুড়ায়, তেমনি শিশুদের সহযোগিতা গ্রামীণ জীবনে ছড়িয়ে দিচ্ছে আনন্দ ও সম্প্রীতি।
বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলা জ্যৈষ্ঠ থেকে কার্তিক পর্যন্ত খাল, বিল, ঝিল ও পুকুরে ফোটে। এটি যেমন প্রকৃতিকে শোভিত করে, তেমনি খাবার ও আয়ের উৎস হিসেবেও গুরুত্ব বহন করে।
মনিরার বাবা তরিকুল ইসলাম জানান, ছোটবেলা থেকেই প্রকৃতি আর মানুষের প্রতি মায়া রয়েছে তার মেয়ের। শাপলার মাধ্যমে দরিদ্র শিশুদের পাশে দাঁড়ানোয় তিনি গর্ব অনুভব করেন।