google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: কুড়িগ্রামে বন্যার পানি কমলেও তীব্র ভাঙনে নিঃস্ব মানুষ
কুড়িগ্রামে নদীর পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করলেও বন্যা পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। জেলার নদ–নদী তীরবর্তী এলাকায় মানুষ ও ফসল উভয়ই বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে।
গত তিন দিনের ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে পানি বৃদ্ধি পেয়েছিল। মঙ্গলবার বিকেল থেকে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমর নদীর পানি কিছুটা কমতে শুরু করে। তিস্তা নদী কাউনিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে ব্রহ্মপুত্রের কয়েকটি পয়েন্টে পানি সামান্য বেড়েছে। যদিও সব নদ-নদী বর্তমানে বিপদসীমার নিচে রয়েছে।
এদিকে নদনদী অববাহিকার নিম্নাঞ্চলগুলো এখনও প্লাবিত। রোপা আমন, শাকসবজি, চীনা বাদাম ও মাসকলাইসহ প্রায় ১,৮০০ হেক্টর জমির ফসল পানির নিচে নিমজ্জিত হয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজারহাট, উলিপুর, চিলমারী, নাগেশ্বরী, ফুলবাড়ী, রৌমারী ও রাজিবপুরের চরাঞ্চল।
নদীর পানি কমতে শুরু করলেও নতুন দুর্ভোগ যোগ হয়েছে ভাঙনে। সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নে গত দুই দিনে প্রায় অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি ব্রহ্মপুত্র নদে বিলীন হয়েছে। এতে বহু পরিবার খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানিয়েছেন, “পানি কমতে শুরু করেছে, কয়েক দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। তবে নদী ভাঙন ঠেকাতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলছে।”