google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: মিনিয়াপোলিসে আইসিইর গুলিতে মার্কিন নাগরিক নিহত, ট্রাম্প দায় চাপাল স্থানীয় কর্মকর্তাদের উপর
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিসে ফেডারেল ইমিগ্রেশন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা (আইসিই) এজেন্টদের গুলিতে এক মার্কিন নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও মিনেসোটার কর্মকর্তাদের দোষারোপ করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে প্রকাশিত পোস্টে বলেন, আইসিই এজেন্টদের নিরাপত্তার দায়িত্বে স্থানীয় পুলিশের উপস্থিতি থাকা উচিত ছিল। নিহত ব্যক্তির নাম অ্যালেক্স প্রেটি, বয়স ৩৭ বছর। প্রেটি একজন নিবন্ধিত নার্স ছিলেন এবং চলতি মাসের শুরুর দিকে মিনিয়াপোলিসে আইসিইর গুলিতে নিহত রেনি গুডের বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন।
সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, ঘটনার সময় প্রেটির কাছে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। তবে তিনি এটি বের করেছিলেন কি না তা নিশ্চিত নয়। সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওতে দেখা যায়, আইসিইর কর্মকর্তারা প্রেটিসহ অন্য বিক্ষোভকারীদের মাটিতে ফেলে ধস্তাধস্তি করছেন এবং একাধিকবার গুলি করছেন।
ট্রাম্পের পোস্টে বলা হয়, “স্থানীয় পুলিশদের অনেককেই কাজ করতে দেওয়া হয়নি। ফলে আইসিই কর্মকর্তাদের নিজেদের নিরাপত্তা নিজেদেরই নিশ্চিত করতে হয়েছে।” তিনি মিনেসোটা থেকে নির্বাচিত ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি ইলহান ওমরের উপরও অভিযোগ তোলেন। ট্রাম্প বলেন, “মেয়র ও গভর্নর তাঁদের বিপজ্জনক বক্তব্য দিয়ে বিদ্রোহ উসকে দিচ্ছেন।”
তিনি আইসিই কর্মকর্তাদের ‘দেশপ্রেমিক’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, “এজন্য তাদের কাজ করতে দিন। ইতিমধ্যেই ১২ হাজার অবৈধ অভিবাসী অপরাধী গ্রেপ্তার করে মিনেসোটা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তারা যদি এখনও সেখানে থাকতেন, পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতো।”
মিনিয়াপোলিসসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।