google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: মিসরে হামাস–ইসরায়েল পরোক্ষ আলোচনা, ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনায় অগ্রগতি
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ও ইসরায়েলের প্রতিনিধিরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত গাজা ‘শান্তি পরিকল্পনা’ নিয়ে মিসরের শারম আল শেখে পরোক্ষ আলোচনায় বসেছেন। যুক্তরাষ্ট্র, মিসর ও কাতারের মধ্যস্থতায় সোমবার শুরু হওয়া এই বৈঠকে দ্রুত একটি শান্তিচুক্তি সম্পাদনের চেষ্টা চলছে।
২০ দফা শান্তি পরিকল্পনায় ইসরায়েল আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মতি দিয়েছে, আর হামাসও কিছু প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। তবে এখনো বেশ কিছু বড় অমীমাংসিত ইস্যু রয়ে গেছে। আজ মঙ্গলবারও আলোচনার পরবর্তী ধাপ চলবে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের সশস্ত্র আক্রমণে ইসরায়েলে প্রায় ১,২০০ জন নিহত হন এবং ২৫০ জনকে জিম্মি করা হয়। এর পর থেকে গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় এ পর্যন্ত ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাঁদের অধিকাংশ নারী ও শিশু।
হামাস ট্রাম্পের প্রস্তাবিত বন্দিবিনিময় পরিকল্পনায় সম্মতি জানিয়েছে। এতে ইসরায়েলি জিম্মি মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলের কারাগারে আটক ফিলিস্তিনিদের মুক্তির কথা বলা হয়েছে। রেডক্রস জানিয়েছে, তারা জিম্মি ও বন্দীদের ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে প্রস্তুত।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ও জিম্মিদের মুক্তি চান। ট্রাম্প নিজেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, হামাসের সঙ্গে তাঁর ‘অত্যন্ত ইতিবাচক’ আলোচনা হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত শান্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাঁর প্রতিনিধিদলকে আলোচনায় অংশ নিতে পাঠিয়েছেন। হামাসের প্রধান আলোচক খলিল আল-হায়া ফিলিস্তিনি পক্ষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অংশ নিচ্ছেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও গাজায় বিমান হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, যুদ্ধ চলতে থাকলে বন্দি মুক্তির প্রক্রিয়া এগোতে পারবে না। একই ধরনের আহ্বান করেছেন ট্রাম্পও। তবে ইসরায়েল এখনো হামলা বন্ধ করেনি।