google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ঢাকা | , ১২ মাঘ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ডোপামিন ডিটক্স: অতিরিক্ত চিন্তার জাল থেকে বের হওয়ার উপায়

Jashore Now
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 20, 2025 ইং
ছবির ক্যাপশন: ডোপামিন-ডিটক্স:-অতিরিক্ত-চিন্তার-জাল-থেকে-বের-হওয়ার-উপায় ছবির ক্যাপশন: ডোপামিন-ডিটক্স:-অতিরিক্ত-চিন্তার-জাল-থেকে-বের-হওয়ার-উপায়
ad728

ডোপামিন ডিটক্সের ধারণাটি কয়েক বছর ধরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এটি মূলত এমন একটি পদ্ধতি, যা অতিনির্ভরশীলতা ও অতিচিন্তার জালে জড়িয়ে থাকা মানুষের মন ও জীবনধারায় শান্তি আনার চেষ্টা করে। শিশু-কিশোর ও পারিবারিক মনোরোগবিদ্যার সহকারী অধ্যাপক ডা. টুম্পা ইন্দ্রানী ঘোষ জানিয়েছেন, ডোপামিন হলো সেই হরমোন যা ভালো লাগার অনুভূতির সঙ্গে যুক্ত।

তবে আধুনিক জীবনে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, গেম, নোটিফিকেশন, চা-কফি বা জাঙ্ক ফুডের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। এগুলো থেকে তারা অতিরিক্ত ডোপামিন পান, আর তা না পেলে অস্থির হয়ে ওঠেন। ডোপামিন ডিটক্স মানে এই ধরনের অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসা।

ডিটক্স করার পদ্ধতি হলো এমন কার্যকলাপ করা যা ধীরে ধীরে ডোপামিন বৃদ্ধি করে এবং প্রশান্তি দেয়। যেমন: প্রকৃতির মধ্যে সময় কাটানো, বাগান করা, ধ্যান, নীরবতা উপভোগ করা, বই পড়া, মনের কথা লিখে রাখা বা নতুন কোনো কাজ শেখা। প্রথমে সপ্তাহে একদিন করে শুরু করা যায়, তারপর এক বা দুই সপ্তাহ একটানা চর্চা করা সম্ভব।

ডোপামিন ডিটক্স অতিচিন্তার সঙ্গে জড়িত মানুষের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক। মন প্রশান্ত হলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়, এবং জীবনের ছোট-বড় বিষয়গুলোতে অস্থিরতা ও চাপ কমে। ধাপে ধাপে অভ্যাস করলে জীবনধারায় স্থায়ী পরিবর্তন আনা যায়, যেমন: সকালবেলা ফোন না দেখা, সারা দিনে সীমিত সময়ের জন্য মুঠোফোন ব্যবহার, গেম খেলা কমানো বা চা-কফি সীমিত করা।

এভাবে চর্চা করলে মন নিয়ন্ত্রণে আসে, অতিরিক্ত চিন্তার জাল থেকে বেরিয়ে আসা সহজ হয় এবং জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : Jashore Now

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ