google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’ তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগরে, বাড়ছে শক্তি
দক্ষিণ–পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। নতুন এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মোন্থা’। আবহাওয়া অধিদপ্তর আজ সোমবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
অধিদপ্তরের বিশেষ বার্তায় জানানো হয়, গতকাল দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১,৩৬০ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১,৩০০ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ১,২৮০ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১,২৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ–পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবীর জানান, ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে পশ্চিম–উত্তর–পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং ক্রমেই শক্তি সঞ্চয় করছে। এটি আগামীকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা বা রাতে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। কেন্দ্রের আশপাশের সাগর এখন অত্যন্ত উত্তাল।
এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে এবং গভীর সাগরে না যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবীর বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে আগামীকাল থেকে দেশের কিছু অঞ্চলে বৃষ্টি শুরু হতে পারে। বুধবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন তিনি।