google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: নির্বাচন-চ্যালেঞ্জিং-হতে-পারে,-বড়-শক্তির-আক্রমণের-আশঙ্কা-—-প্রধান-উপদেষ্টা
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, সামনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চ্যালেঞ্জিং হবে। নির্বাচন বানচালের জন্য ভেতর ও বাইরে থেকে বড় শক্তি সক্রিয় হতে পারে এবং হঠাৎ আক্রমণও আসতে পারে। তিনি বলেন, ‘যে–ই ঝড়ঝঞ্ঝা আসুক, আমাদের তা অতিক্রম করতে হবে।’
আজ বুধবার ইউনূসের সভাপতিত্বে যমুনায় প্রথম সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত সভা শেষে প্রেস সচিব শফিকুল আলম সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।
প্রেস সচিব জানান, আক্রমণ বলতে শুধু শারীরিক হামলা নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ানো এবং সাইবার আক্রমণেরও আশঙ্কা রয়েছে। পতিত স্বৈরাচারের দোসররা সুষ্ঠু নির্বাচন চাইবে না—এ জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
দুই ঘণ্টাব্যাপী সভায় নিচের চারটি বিষয়ে আলোচনা হয়—
মাঠ প্রশাসনের পদায়ন
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
নির্বাচনী প্রশিক্ষণ
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া তথ্য মোকাবিলা
গত তিনটি নির্বাচনে দায়িত্বে ছিলেন — এমন কাউকে দায়িত্বে রাখা হবে না
নিজ জেলা বা শ্বশুরবাড়িতে পদায়ন করা হবে না
রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ও দুর্নীতির অভিযোগ বিবেচনায় নেওয়া হবে
সবচেয়ে দক্ষ কর্মকর্তাকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দেওয়া হবে
১ নভেম্বরের মধ্যে পদায়ন শুরু হবে
পুলিশের ক্ষেত্রেও একই নীতি অনুসরণ করা হবে বলে জানানো হয়।
আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে—
৯০ হাজার সেনাসদস্য
২ হাজার নৌসদস্য
প্রতিটি জেলায় এক কোম্পানি সেনা
উপজেলা পর্যন্ত কাজ করবে এমন দুটি কমিটি—
তাৎক্ষণিক ফ্যাক্ট-চেকিং ও প্রতিক্রিয়া
আইসিটি ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কারিগরি সহায়তা দেবে
ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে
আনসার সদস্যদের উন্নত প্রশিক্ষণ
বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের প্রশিক্ষণ
১৫ নভেম্বরের মধ্যে বিটিভি ও ওয়েবসাইটে প্রশিক্ষণ উপকরণ
সংসদ টিভি নির্বাচনী প্রচারে ব্যবহার হতে পারে
নির্বাচন কমিশন ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তারিখ ঘোষণা করবে বলে জানিয়েছে।
আতঙ্কের কারণ আছে কি না—এমন প্রশ্নে প্রেস সচিব বলেন,
“আতঙ্কের কিছু নাই। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি হবে সবচেয়ে ভালো নির্বাচন।”