google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ঢাকা | , ১২ মাঘ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জুলাই সনদের আইনি স্বীকৃতি ছাড়া নির্বাচন নয়: জামায়াত আমির শফিকুর রহমান

Jashore Now
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 11, 2025 ইং
ছবির ক্যাপশন: জুলাই-সনদের-আইনি-স্বীকৃতি-ছাড়া-নির্বাচন-নয়:-জামায়াত-আমির-শফিকুর-রহমান ছবির ক্যাপশন: জুলাই-সনদের-আইনি-স্বীকৃতি-ছাড়া-নির্বাচন-নয়:-জামায়াত-আমির-শফিকুর-রহমান
ad728

গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়ার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, “২০২৬ সালে নির্বাচন দেখতে হলে আগে জুলাই বিপ্লবের স্বীকৃতি লাগবে।”

আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর পল্টন মোড়ে জামায়াতসহ আন্দোলনরত আট দলের আয়োজিত সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন। সমাবেশে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরা হয়, যার মধ্যে অন্যতম ছিল ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও উক্ত আদেশের ওপর গণভোট আয়োজন’।

শফিকুর রহমান বলেন, “আমাদের দাবি কম, কিন্তু খুব স্পষ্ট। জুলাই বিপ্লবকে স্বীকৃতি দিতে হবে, আর তার জন্য জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে হবে। এই ভিত্তি ছাড়া কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয়।”

তিনি আরও বলেন, দেশের জনগণ নির্বাচনের আগে গণভোট চায় এবং এ বিষয়ে সব দল একমত। “তাহলে তারিখ নিয়ে বায়নাবাজি কেন?”—প্রশ্ন তোলেন তিনি।

জামায়াত আমির বলেন, দলগুলো যখন জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে, তখন গণভোট আগে হওয়াই যুক্তিযুক্ত। “এতে করে পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে কোনো সন্দেহ বা সংশয় থাকবে না,” যোগ করেন তিনি।

তিনি জানান, জামায়াতসহ আট দল আগামী ফেব্রুয়ারিতে রোজার আগে জাতীয় নির্বাচন চায় এবং এ বিষয়ে কোনো বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তা সফল হবে না।

শফিকুর রহমান বলেন, “সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের মতামতের ভিত্তিতেই জুলাই সনদ প্রণীত হয়েছে। গণতন্ত্র মানে হলো সংখ্যাগরিষ্ঠের মত মেনে নেওয়া। কেউ যদি জুলাই সনদের স্বীকৃতি না দেয়, সে গণতন্ত্রকেও সম্মান করছে না।”

তিনি আরও বলেন, “দলগুলো ভদ্র ভাষায় কথা বলবে, তবে দাবির ব্যাপারে হিমালয়ের মতো অনড় থাকবে। কারণ, এটি জনগণের দাবি, কোনো দলের নয়। ফ্যাসিবাদের দাবির কাছে জাতি মাথা নত করবে না।”

আট দলের নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “যতক্ষণ পর্যন্ত জনগণের দাবি পূরণ না হয়, ততক্ষণ আমাদের আন্দোলন দুর্বার গতিতে চলবে, ইনশা আল্লাহ।”

তিনি আরও জানান, সমাবেশ শেষে আট দলের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসবেন এবং দ্রুত নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম। সঞ্চালনায় ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ও রফিকুল ইসলাম খান।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব ইউনুছ আহমাদ, খেলাফত মজলিসের আমির আবদুল বাসিত আজাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির সরওয়ার কামাল আজিজি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির হাবিবুল্লাহ মিয়াজীসহ আট দলের শীর্ষ নেতারা।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : Jashore Now

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ