জুলাই জাতীয় সনদ বা সংবিধান সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া ঘোষণা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে গঠন করা হবে।
বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এই তথ্য জানান। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ বৈঠক করে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ অনুমোদন দেয়। প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর শেষে এটি গেজেট আকারে প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান প্রধান উপদেষ্টা।
ভাষণে তিনি বলেন, গণভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট যদি ‘হ্যাঁ’ হয়, তবে আগামী সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা হবে। এই প্রতিনিধিরা একই সঙ্গে জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন। পরিষদ তার প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন করবে।
সংবিধান সংস্কার শেষে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে, যার মেয়াদ থাকবে নিম্নকক্ষের শেষ কার্যদিবস পর্যন্ত।
প্রধান উপদেষ্টা আরও জানান, জুলাই সনদের বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গেই অনুষ্ঠিত হবে