google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: জিগাতলার ছাত্রী হোস্টেল থেকে এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর জিগাতলার একটি ছাত্রী হোস্টেল থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম জান্নাত আরা রুমি (৩০)। তিনি ধানমন্ডি থানা এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী ছিলেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে খবর পেয়ে পুলিশ জিগাতলার ওই হোস্টেলে গিয়ে একটি কক্ষ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। জান্নাত আরা রুমি বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন এবং হোস্টেলের ওই কক্ষে একাই থাকতেন। তাঁর বাড়ি নওগাঁর পত্নীতলায়। তাঁর বাবার নাম জাকির হোসেন।
হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান জানান, সকালে পরিচারিকা ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে দরজায় ধাক্কাধাক্কি করেন। একপর্যায়ে হার্ডবোর্ডের দরজার ছিটকানি খুলে গেলে ভেতরে ঢুকে দেখা যায়, সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় জান্নাত আরার মরদেহ ঝুলছে। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব তারেক রেজা বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, কার্যক্রমনিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের হুমকি ও সাইবার বুলিংয়ের কারণে জান্নাত আরা আত্মহত্যা করেছেন। তবে তিনি এই ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে মানতে রাজি নন বলে উল্লেখ করে একে ‘খুন’ বলে অভিহিত করেন।
ফেসবুক পোস্টে তারেক রেজা আরও লেখেন, গত মাসে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রায়ের দিন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জিয়ার কবর খুঁড়তে চাওয়া এক ব্যক্তিকে জান্নাত আরা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। এরপর থেকেই তাঁকে সাইবার বুলিংসহ হত্যা ও ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে দাবি করেন তিনি।