google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: গাজার পথে কনশানস নৌযান
গাজার উদ্দেশে যাত্রা করা কনশানস নৌযানটি বহরের অন্য আটটি নৌযানকে ছুঁয়ে ফেলেছে। বেশি গতির কারণে এমনটি সম্ভব হলেও এখন এর গতি কমানো হয়েছে। সব নৌযান বর্তমানে একসঙ্গে গাজা অভিমুখে অগ্রসর হচ্ছে।
আজ শনিবার দুপুরে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আলোকচিত্রী শহিদুল আলম এ তথ্য জানান। তিনি কনশানস নৌযানটিতে অবস্থান করছেন।
কনশানস আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (এফএফসি) এবং থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা (টিএমটিজি) বহরের একটি অংশ। এফএফসি হলো ইসরায়েলের অবরোধ ভাঙা ও গাজায় ত্রাণ পৌঁছানোর বৈশ্বিক প্রচেষ্টা গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার আয়োজক জোটগুলোর একটি। তবে এই বহরে খাদ্যসহায়তা নেই।
শহিদুল আলম তাঁর পোস্টে লেখেন, “থাউজেন্ড ম্যাডলিনস একটি অবিস্মরণীয় ধারণা। বিশ্বনেতাদের নিষ্ক্রিয়তা ও কপট ভূমিকার কারণে সাধারণ মানুষ নিজেরাই এগিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হাজারো জাহাজের এই প্রতীকী ধারণা নিঃসন্দেহে ইতিহাসে সমুদ্রযানের সবচেয়ে বড় বহর।”
তিনি আরও জানান, কনশানস বহরের সবচেয়ে বড় নৌযান। এটি সর্বশেষ (৩০ সেপ্টেম্বর) ইতালি থেকে যাত্রা শুরু করলেও গতির কারণে আগে রওনা দেওয়া আটটি নৌযানকে ছুঁয়ে ফেলেছে। এর আগে আরও দুটি নৌকা রওনা দিয়েছিল, তবে তাদের অবস্থান এখনো নিশ্চিত নয়।
গাজার অবরোধ ভাঙার দৃঢ় প্রত্যয় জানিয়ে শহিদুল আলম বলেন, “আমরা কনশানসের মানুষরা অবরোধ ভাঙতে অঙ্গীকারবদ্ধ। আমাদের আটকালে অন্যরা এগিয়ে আসবে। দমন–পীড়ন কখনো জনগণের শক্তির সামনে টিকতে পারেনি। ইসরায়েলও ব্যর্থ হবে, মুক্ত হবে ফিলিস্তিন।”
ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, কনশানস নৌযানে ২৫টি দেশের সাংবাদিক ও স্বাস্থ্যকর্মী আছেন। গত বুধবার শুরু হওয়া এ মিশনের লক্ষ্য ইসরায়েলের অবৈধ অবরোধ ভাঙা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
গত দুই বছর ধরে ইসরায়েল বিদেশি সাংবাদিকদের গাজায় প্রবেশে বাধা দিয়ে আসছে। পাশাপাশি ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ২৭০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। অনেকে আটক রয়েছেন বা কারাগারে বন্দী আছেন।