google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: ঢাকা সফরে তুরস্কের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী, বাংলাদেশ–তুরস্ক পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠক আজ
তুরস্কের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী এ বেরিস একিনচি দুই দিনের সফরে সোমবার সকালে ঢাকায় পৌঁছেছেন। আজ মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠক।
বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং তুরস্কের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী এ বেরিস একিনচি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, রাজনৈতিক সম্পর্ক, স্বাস্থ্য, অভিবাসন, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, কৃষি, যোগাযোগসহ নানা খাতের বিষয় আলোচনা হবে।
এ ছাড়া নিরাপত্তা সহযোগিতা, সন্ত্রাসবাদের দমন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানও বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে রয়েছে।
আঞ্চলিক আলোচনায় দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তিত পরিস্থিতি ও মধ্যপ্রাচ্যের সংকট, বিশেষ করে গাজার চলমান যুদ্ধ ইস্যুটি গুরুত্ব পাবে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ডি–৮, ওআইসি, জাতিসংঘ এবং অন্যান্য সংস্থায় পারস্পরিক সমর্থনের বিষয়ও আলোচনায় আসবে।
ঢাকায় পৌঁছানোর পর সোমবার এ বেরিস একিনচি বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সঙ্গে আলাদাভাবে বৈঠক করেছেন। আজ পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠকের পর তিনি পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–তুরস্কের মধ্যে একাধিক উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময় হয়েছে। জানুয়ারিতে ঢাকায় এসেছিলেন তুরস্কের বাণিজ্যমন্ত্রী ওমের বোলাট, ফেব্রুয়ারিতে আঙ্কারায় গিয়েছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) নজরুল ইসলাম। এপ্রিলে আনতোলিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামে বাংলাদেশ–তুরস্ক আলোচনাও অনুষ্ঠিত হয়।
গত জুলাইতে ঢাকায় এসেছিলেন তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্প সংস্থার প্রধান হালুক গরগুন, যিনি বাংলাদেশে প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
কূটনৈতিক সূত্র বলছে, পাঁচ বছরের বেশি সময় পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠক দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করবে। উচ্চপর্যায়ের ধারাবাহিক সফরের ধারাবাহিকতায় বেরিস একিনচির এ সফরকে বাংলাদেশ–তুরস্ক অংশীদারত্বের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।