ঢাকা, ৪ নভেম্বর ২০২৫ – অভিনেত্রী আইশা খান মনে করেন, তাঁর জীবনে যা কিছু ভালো, তার সঙ্গে সব সময় ‘প্রথম আলো’ সংযুক্ত। শৈশব থেকে আজকের পেশাজীবন পর্যন্ত এই সংবাদমাধ্যম তাঁর অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।
শৈশবকালেই আইশার প্রিয় অংশ ছিল ‘রস+আলো’। প্রতি সোমবার এই ম্যাগাজিনের জন্য তিনি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেন। অভিনেত্রী জানালেন, “পড়াশোনার জীবন কঠিন হলেও, ‘রস+আলো’ আমাকে স্বস্তি দিত। আমার বাড়িতে সপ্তাহে চার দিন প্রথম আলো আসা ছিল আবশ্যক।” তিনি ডুবে থাকতেন ‘রস+আলো’, ‘নকশা’, ‘আনন্দ’, ‘গোল্লাছুট’–এ। এ ছাড়াও ‘বেসিক আলী’ ও ‘ন্যান্সি’ কার্টুন তাঁর শৈশবের নস্টালজিয়া হয়ে রয়ে গেছে।
অভিনয়জীবনের শুরুতেই প্রথম আলো তাঁর জন্য অনুপ্রেরণার মাধ্যম হয়। ২০২২ সালে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে মুক্তি পায় তাঁর প্রথম ওয়েব ফিল্ম ‘দাগ’। সেই সময় প্রথম আলোতে প্রকাশিত একটি ফিচার আইশার ক্যারিয়ারের অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করে। তিনি বলেন, “ওই সংবাদটা আমার মধ্যে ভালো কাজ করার ক্ষুধা তৈরি করেছে। সব সময় ভেবেছি, ভালো কাজ করতে হবে, ভালো কাজের সঙ্গে থাকতে হবে।”
আইশা আরও আশা করেন, ‘প্রথম আলো’ নতুন শিল্পীদের এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে এবং তার বিশেষ চাওয়াও আছে—‘রস+আলো’ ফিরে আসুক। তিনি কিশোরদের জন্য এই উদ্যোগকে শুধু একটি ম্যাগাজিন নয়, বরং একটি আলাদা পাঠের জগৎ হিসেবে দেখেন, যেখানে তারা নিজেদের ভাবনা, কৌতূহল ও স্বপ্ন প্রকাশ করতে পারে।
আইশা বিশ্বাস করেন, স্কুল-কলেজপড়ুয়াদের জন্য মাসিক কোনো পত্রিকা বা নতুন উদ্যোগ যদি প্রথম আলো নি, তবে পাঠকদের মধ্যে আবারও সংবাদপত্র পড়ার আগ্রহ বাড়বে।