google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: হামাসকে নতুন হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প: ‘প্রয়োজনে শক্তভাবে দমন করা হবে’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসকে নতুন করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেন, হামাস যদি গাজায় হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যেতে থাকে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের আর কোনো উপায় থাকবে না—তাদের শক্ত হাতে দমন করতে হবে।
ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র তিন দিন পরই এ বক্তব্য দিলেন ট্রাম্প। তাঁর পরিকল্পনা ও মধ্যস্থতায়ই এই যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছিল।
তবে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলোতে বলা হচ্ছে, হামাস যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে গাজায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণ পুনর্গঠন করছে এবং ইসরায়েলি বাহিনীকে সহায়তাকারী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটেই ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি আসে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন,
“হামাস যদি গাজায় মানুষ হত্যা অব্যাহত রাখে, তবে তাদের শক্তভাবে দমন করা ছাড়া আমাদের হাতে আর কোনো বিকল্প থাকবে না।”
তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, এই দমন অভিযানে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা অংশ নেবে না।
গতকাল হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে দেওয়া এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন,
“এটা আমরা করব না, আমাদের করতেও হবে না। আমাদের কাছাকাছি এমন কিছু লোক আছেন, যাঁরা গিয়ে এটা খুব সহজেই করে দিতে পারবেন। তবে তাঁরা আমাদের তত্ত্বাবধানে কাজ করবেন।”
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধবিরতির পর স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই।
ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে, গাজার যুদ্ধবিরতি নিয়ে তাঁর আগের আশাবাদী অবস্থান থেকে তিনি সরে আসছেন।
গত বুধবার সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন,
“হামাস যদি চুক্তির শর্ত না মানে, আমি বলামাত্রই আবার যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে।”
গাজা থেকে মৃত জিম্মিদের মরদেহ ধীরগতিতে ফেরত দেওয়ার কারণে ইসরায়েল হামাসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করছে।
একটি ইসরায়েলি সূত্র জানিয়েছে, গতকাল ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। যদিও কথোপকথনের বিস্তারিত জানা যায়নি, ট্রাম্প পরবর্তীতে বলেন,
“চুক্তি বহাল থাকবে বলে আমি আত্মবিশ্বাসী। হামাস প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে বলেই আমরা ধরে নিচ্ছি। তারা যদি যথাযথ আচরণ না করে, আমরা ব্যবস্থা নেব।”