google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ঢাকা | , ১২ মাঘ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মিরসরাইয়ে ডাকাতি দমন নিয়ে ওসিকে ‘লজিস্টিক সাপোর্ট’ দেওয়ার প্রস্তাব, ভিডিও ভাইরাল

Jashore Now
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 28, 2025 ইং
ছবির ক্যাপশন: মিরসরাইয়ে ডাকাতি দমন নিয়ে ওসিকে ‘লজিস্টিক সাপোর্ট’ দেওয়ার প্রস্তাব, ভিডিও ভাইরাল ছবির ক্যাপশন: মিরসরাইয়ে ডাকাতি দমন নিয়ে ওসিকে ‘লজিস্টিক সাপোর্ট’ দেওয়ার প্রস্তাব, ভিডিও ভাইরাল
ad728

চট্টগ্রামের মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমানকে থানায় বসে লজিস্টিক সাপোর্ট দেওয়ার প্রস্তাব দেন চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুর রহমান। তাঁর এমন বক্তব্যের একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে ২০ নভেম্বর বিকেলে মিরসরাই থানা থেকে।

ভিডিওতে সাইফুর রহমানকে ওসিকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনি যদি লজিস্টিক সাপোর্ট চান, পুলিশের কাজ সহজ করতে যদি সহায়ক পুলিশ প্রয়োজন হয়, আমি শিবির–জামায়াতের পক্ষ থেকে লোক দিতে পারব। ইউনিয়নভিত্তিক গোয়েন্দা টিম লাগলে তাও সাপোর্ট দেব।’

মিরসরাইয়ে বাড়তে থাকা ডাকাতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি আরও বলেন, ‘দু-একজন ডাকাতকে যদি স্ট্যান্ডবাই ধরে শাস্তি দেওয়া যেত, তাহলে মানুষ বুঝত অ্যাকশনমূলক কাজ হচ্ছে।’
তিনি ওসিকে আশ্বস্ত করেন যে সঠিক উদ্যোগ নিলে তারা পাশে থাকবে। তবে একইসঙ্গে অভিযোগ করেন, তারা নিজেরা সরাসরি ডাকাত ধরতে গেলে উল্টো ডাকাত হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

ওসি আতিকুর রহমানকেও ভিডিওতে কথা বলতে শোনা যায়। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আপনাদের সহযোগিতা দরকার। অন্তত ১৫ দিন সহযোগিতা করেন, দেখেন কী ফল আসে। আপনি যে প্রথম প্রস্তাব দিয়েছেন, তা আমাকে আনন্দিত করেছে। সমাজসেবীদের নিয়ে পাড়া-মহল্লায় টিম করে দিন। আমরা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ করব, পুলিশ যুক্ত থাকবে, আর মাঠে তাদের সেফটি আমি দেব।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাইফুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর বক্তব্য বিকৃত করে প্রচার করা হচ্ছে। ‘স্বার্থান্বেষী একটি গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিডিওর অংশ কেটে ছড়াচ্ছে। যারা এটা ছড়াচ্ছে, তারা ডাকাতদের সহযোগী।’ তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট আইডিগুলোর বিরুদ্ধে তিনি মামলা করবেন।

মিরসরাই থানার ওসির বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ‘জরুরি সভায়’ আছেন জানিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন এবং পরে আর ফোন ধরেননি।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি যাচাই করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘পুলিশের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ বা বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। এভাবে কেউ বলতে পারেন না।’


নিউজটি পোস্ট করেছেন : Jashore Now

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ