google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন:
বান্দরবানের আলীকদমের তিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৩ শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনুপস্থিত থেকেও বেতন–ভাতা নেওয়ার অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থানজামা লুসাই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর গত মঙ্গলবার এই নির্দেশ দেন। বিষয়টি আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা হয়।
রেংপুং হেডম্যানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
রাইতুমণিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
মেনকিউ মেনকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
এই তিন বিদ্যালয়ে মোট ১৫ শিক্ষক রয়েছেন। তবে দুজন প্রশিক্ষণে থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
জেলা পরিষদের অফিস আদেশে বলা হয়েছে:
১৩ জন শিক্ষক কর্মস্থলে যাননি এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদান করেননি।
নিয়মিত বেতন–ভাতা নিয়েছেন।
বেতন নিয়ে তামাক চাষ ও বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্যের কাজ করেছেন।
নিজেদের অনুপস্থিতিতে বর্গা শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ও গণমাধ্যমের প্রতিবেদন যাচাইয়ে গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে। ১৩ জনের কেউ সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
বিদ্যালয়গুলো ২০২২ সালের ১৩ এপ্রিল সরকারি করা হয়েছিল।
সরকারি করার পর শিক্ষকদের অনুপস্থিতি, বর্গা শিক্ষক নিয়োগ ও ভুয়া উপস্থিতি দেখিয়ে বেতন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিন সদস্যের কমিটি বিদ্যালয় পরিদর্শন করে।
রাইতুমণিপাড়া বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মংসাথুই মারমা বলেন, এক বছর তিনি প্রশিক্ষণে ছিলেন। দুর্গম এলাকায় বিদ্যালয়ের দৈনিক উপস্থিতি সব শিক্ষকের জন্য সম্ভব নয়।
মেনকিউ মেনকপাড়া বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক রাজিব ম্রো বলেন, দুর্গমতা ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির কারণে আগে বিদ্যালয়ে থাকার পরিবেশ ছিল না। নারী শিক্ষকদের সমস্যা এখনো আছে।
আলীকদম উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, তদন্তের পরে শিক্ষা কার্যক্রম অনেক অগ্রগতি হয়েছে এবং ক্রমান্বয়ে স্বাভাবিক পর্যায়ে আনা হচ্ছে।