google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ঢাকা | , ১২ মাঘ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

২০২৫ সালের অর্থনীতির নোবেল পুরস্কার: উদ্ভাবন ও সৃজনশীল ধ্বংসে গুরুত্ব

Jashore Now
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 20, 2025 ইং
ছবির ক্যাপশন: ২০২৫-সালের-অর্থনীতির-নোবেল-পুরস্কার:-উদ্ভাবন-ও-সৃজনশীল-ধ্বংসে-গুরুত্ব ছবির ক্যাপশন: ২০২৫-সালের-অর্থনীতির-নোবেল-পুরস্কার:-উদ্ভাবন-ও-সৃজনশীল-ধ্বংসে-গুরুত্ব
ad728

২০২৫ সালের নোবেল অর্থনীতিতে জোয়েল মোকির, ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইটকে পুরস্কৃত করা হয়েছে তাদের উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিষয়ক গবেষণার জন্য। এই গবেষণার মূল ধারণা হলো ‘সৃজনশীল ধ্বংস’ (Creative Destruction)—যেখানে নতুন প্রযুক্তি, পণ্য ও প্রতিষ্ঠান পুরনো ও অকার্যকরগুলোকে প্রতিস্থাপন করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে।

হার্ভার্ডের অধ্যাপক যোসেফ শমপিটার প্রথম এই তত্ত্ব উপস্থাপন করেছিলেন। শমপিটার দেখিয়েছিলেন যে উদ্যোক্তারা পুরনো কাঠামো ভেঙে নতুন উদ্ভাবনের সুযোগ তৈরি করেন, যা পুঁজিবাদী অর্থনীতির গতিশীলতা বজায় রাখে। তবে তার নেতিবাচক প্রভাবও রয়েছে—যেমন শ্রমিকদের স্থানচ্যুতি, প্রতিষ্ঠিত স্বার্থগোষ্ঠীর প্রতিরোধ এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতা।

জোয়েল মোকির প্রযুক্তিগত অগ্রগতির মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির পূর্বশর্ত শনাক্ত করেছেন। ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট শমপিটারের তত্ত্বকে গাণিতিক মডেলের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করেছেন, যা দেখায় কীভাবে উদ্ভাবন ধ্রুব প্রবৃদ্ধি তৈরি করে এবং পুরনো প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রতিস্থাপিত হয়।

মোকিরের গবেষণা উদ্ভাবনকে কেবল অর্থনৈতিক কার্যকলাপ নয়, বরং সাংস্কৃতিক ও বৌদ্ধিক পরিবেশ হিসেবে দেখায়। স্বাধীনতা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সাংস্কৃতিক উন্মুক্ততা ছাড়া উদ্ভাবন টেকসই হয় না।

বাংলাদেশের জন্য এই গবেষণার শিক্ষা হলো, শুধুমাত্র রপ্তানিনির্ভর সস্তা শ্রম বা অবকাঠামো নয়, উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন। পোশাক শিল্প, ডিজিটাল অর্থনীতি, আইটি সেবা এবং নতুন উদ্যোক্তা খাতে প্রযুক্তি, নকশা ও সৃজনশীল মনোভাব বিকাশের ওপর জোর দিতে হবে।

রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি বলেছে, বিজয়ীদের কাজ প্রমাণ করে যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসে না; বরং ধারাবাহিক উদ্ভাবন, প্রতিযোগিতা ও সৃজনশীলতার সাপেক্ষে তা অর্জিত হয়।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : Jashore Now

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ