google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: ফ্রিল্যান্সিংয়ে সাফল্য: প্রশিক্ষণ নিয়েই ৩ মাসে ৯৫০ ডলার আয় করলেন মারুফা আমিন
পটুয়াখালী জেলার চান্দখালী গ্রামের মেয়ে মারুফা আমিন ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ নিয়েই তিন মাসে আয় করেছেন ৯৫০ মার্কিন ডলার। তিনি পটুয়াখালী সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে সম্মান ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে বাবা রুহুল আমিনের সঙ্গে পটুয়াখালী শহরের সবুজবাগ এলাকায় থাকেন।
‘দেশের ৪৮ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময় গ্রাফিকস ও ওয়েব ডেভেলপমেন্টে চারটি অর্ডার থেকে তিনি এ আয় করেন। যুক্তরাষ্ট্র, তানজানিয়া ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে কাজ পেয়েছেন মারুফা।
তিনি জানান, অনেক শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ নিয়েও আয় করতে পারছেন না, কারণ সবার হাতে একটি করে কম্পিউটার নেই। সহজ শর্তে ল্যাপটপ কেনার ব্যবস্থা থাকলে আরও অনেকে স্বাবলম্বী হতে পারতেন। পাশাপাশি ইংরেজি দক্ষতা থাকলে কাজ পাওয়া সহজ হয়।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ৩০০ কোটি টাকার এই প্রকল্প শুরু হয়েছে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে, যা চলবে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। এ সময়ে ৪৮ জেলায় মোট ২৮ হাজার ৮০০ তরুণ-তরুণীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
ইতিমধ্যে প্রথম তিন ব্যাচে ৭ হাজার ২০০ জন প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ৬৩ শতাংশ প্রশিক্ষণ চলাকালীনই বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছেন, যার পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি ১৩ লাখ টাকা।
প্রশিক্ষণে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন, বেসিক ইংরেজি, ফ্রিল্যান্সিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, সফটস্কিল, গ্রাফিকস ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিং।
আজ সচিবালয়ে চতুর্থ ব্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়াসচিব মাহবুব-উল-আলম, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক গাজী মো. সাইফুজ্জামান, যুগ্ম সচিব মো. আবুল হাসান, ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের এমডি মাসুদ আলম এবং প্রকল্প পরিচালক মো. মানিকহার রহমান। অনুষ্ঠানে মারুফা আমিন ছাড়াও আরও কয়েকজন প্রশিক্ষণার্থী বক্তব্য রাখেন।
যুব ও ক্রীড়াসচিব বলেন, “এটা আমাদের একটি সিগনেচার প্রকল্প। প্রশিক্ষণ শেষে অনেকে স্বাবলম্বী হয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করবেন বলে আমরা আশাবাদী।”