google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: গীতি-আরা-নাসরীন:-‘অনেকেই-রিপোর্ট-না-পড়েই-মন্তব্য-করছেন’
বাংলাদেশের গণমাধ্যম সংস্কার প্রসঙ্গে মতামত দিতে গিয়ে সমালোচনার মুখে পড়ছেন এমন অনেকেই আসলে সুপারিশ–রিপোর্টটি পড়েনইনি—এমন মন্তব্য করেছেন গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন।
আজ বুধবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলোর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের গণমাধ্যমে সংস্কার: সুপারিশ, বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ।
গীতি আরা নাসরীন বলেন, “আমরা তো চিন্তাভাবনা করে রিপোর্ট করেছি। কিন্তু অনেকে মন্তব্য করছেন—যা বোঝায়, তারা রিপোর্টটি পড়েননি। আমরা সক্রিয় না হলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার।”
তিনি মনে করেন, রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত আগামী দিনের গণমাধ্যমের অবস্থান নিয়ে স্পষ্ট অঙ্গীকার করা।
তিনি বলেন,
“গণমাধ্যম পাঠকদের কাছে দায়বদ্ধ হওয়ার কথা। কিন্তু এখন মনে হয় না যে গণমাধ্যম কারও কাছে দায়বদ্ধ।”
কমিশনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সুপারিশ করা হয়েছে।
গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের সীমাবদ্ধতার কারণে সাংবাদিকদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সাম্প্রতিক দুই সাংবাদিকের আত্মহত্যার ঘটনাকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেকেই মানসিক চাপ নিয়ে কাজ করছেন, কিন্তু সহায়তা পাওয়ার জায়গা নেই।
তিনি যৌন হয়রানি প্রতিরোধ বিধিমালার বাস্তবায়ন না হওয়া এবং আচরণবিধির অভাবকে বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেন। এ কারণে কর্মীদের কোথায় অভিযোগ জানাতে হবে, পরিষ্কার নয় বলে জানান তিনি।
গীতি আরা নাসরীন আরও বলেন,
“বিশ্বের বড় বড় দেশে সংবাদমাধ্যম প্রশিক্ষিত কর্মীর ওপর দাঁড়িয়ে। সেখানে ইনস্টিটিউট আছে। কিন্তু বাংলাদেশে এত বড় ইন্ডাস্ট্রি হয়েও কোনো প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নেই।”
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন—
কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ
ডেইলি স্টারের সম্পাদক ও সম্পাদক পরিষদের সভাপতি মাহ্ফুজ আনাম
নোয়াব সদস্য এ কে আজাদ
সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ
বিজেসি সভাপতি ও মাছরাঙা টিভির বার্তা সম্পাদক রেজওয়ানুল হক রাজা
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মিডিয়া সেল প্রতিনিধিরা
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ও এমআরডিআই প্রতিনিধিরা