ঠান্ডা লাগার সাধারণ উপসর্গগুলোর মধ্যে আছে নাক বন্ধ, সর্দি, হাঁচি, গলাব্যথা, কণ্ঠস্বর ভাঙা ও কাশি। তবে উচ্চমাত্রার জ্বর সাধারণ ঠান্ডার লক্ষণ নয়। এই উপসর্গ সাধারণত এক সপ্তাহের মধ্যে কমে আসে, তবে কিছু ক্ষেত্রে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত অবশিষ্ট থাকতে পারে।
ঘরোয়া যত্ন
-
পর্যাপ্ত তরল খাবার খান। উষ্ণ পানি, আদা-চা, মসলা-চা, স্যুপ বা মধু মেশানো পানীয় উপকারি।
-
যথেষ্ট বিশ্রাম নিন।
-
নাক বন্ধ থাকলে উষ্ণ ভাপ নিন এবং নরমাল স্যালাইন ড্রপ ব্যবহার করতে পারেন। বাজারে পাওয়া ডিকনজেস্ট্যান্ট ড্রপ এড়িয়ে চলাই ভালো।
-
অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে হৃদরোগ, ফুসফুস, মৃগী, লিভার বা কিডনির রোগ থাকলে বা গর্ভবতী ও স্তন্যদানরত মায়ের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।
সংক্রমণ প্রতিরোধ
-
হাঁচি–কাশির সময় নীতিমালা মেনে চলুন; বাইরে গেলে মাস্ক ব্যবহার করুন।
-
ব্যবহৃত টিস্যু বা রুমাল যথাস্থানে ফেলে দিন।
-
হাত পরিষ্কার রাখুন, কারণ হাতের মাধ্যমে জীবাণু ছড়িয়ে যেতে পারে।
ভুল ধারণা
-
অ্যান্টিবায়োটিক ঠান্ডা সারাবে, এমন ধারণা ভুল; ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ না থাকলে এটি প্রয়োজন নেই।
-
ভিটামিন সি বা জিঙ্ক খেলে ঠান্ডা দ্রুত সারবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন
-
উচ্চমাত্রার জ্বর দেখা দিলে।
-
চোখ, নাক, কপাল বা গালের আশপাশে তীব্র ব্যথা থাকলে।
-
কানে ব্যথা হলে।
-
শ্বাসকষ্ট বা অস্বাভাবিক শ্বাসকষ্টের সময়।
ঘরে থাকা সহজ যত্ন এবং সচেতনতা ঠান্ডার উপসর্গ কমাতে অনেক সাহায্য করে। শীতের সময় বিশেষ করে উষ্ণ পানীয় ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম শরীরকে স্বস্তি দেয়।