google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ঢাকা | , ১২ মাঘ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রোটিনের ধরন, পরিমাণ ও সঠিক উৎস: কীভাবে পূরণ করবেন দৈনন্দিন চাহিদা

Jashore Now
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 17, 2025 ইং
ছবির ক্যাপশন: প্রোটিনের-ধরন,-পরিমাণ-ও-সঠিক-উৎস:-কীভাবে-পূরণ-করবেন-দৈনন্দিন-চাহিদা ছবির ক্যাপশন: প্রোটিনের-ধরন,-পরিমাণ-ও-সঠিক-উৎস:-কীভাবে-পূরণ-করবেন-দৈনন্দিন-চাহিদা
ad728

প্রাণীজ প্রোটিন:
প্রাণীজ উৎস থেকে পাওয়া প্রোটিনকে প্রথম শ্রেণির প্রোটিন বলা হয়। এসব খাবারে দেহের জন্য প্রয়োজনীয় সব অত্যাবশ্যকীয় অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে। যেমন—দুধ, ডিম, মাছ ও মাংস। তবে প্রাণীজ প্রোটিনের অনেক উৎসে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, যা অতিরিক্ত খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

উদ্ভিজ্জ প্রোটিন:
উদ্ভিজ্জ উৎসের প্রোটিনকে দ্বিতীয় শ্রেণির প্রোটিন বলা হয়। এতে কোনো না কোনো অত্যাবশ্যকীয় অ্যামিনো অ্যাসিডের ঘাটতি থাকে। তবে একসঙ্গে বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ উৎস খেলে এই ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব। খিচুড়ি বা হালিমে মাংস না থাকলেও বিভিন্ন শস্যদানা থাকায় প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড পাওয়া যায়।

প্রোটিনের দৈনিক পরিমাণ:
একজন প্রাপ্তবয়স্কের দৈনিক প্রোটিন চাহিদা তার ওজনের প্রতি কেজিতে ১ গ্রাম। অর্থাৎ ৬০ কেজি ওজনের মানুষ দৈনিক অন্তত ৬০ গ্রাম প্রোটিন গ্রহণ করবেন।

ভেজিটেরিয়ানদের জন্য প্রোটিন উৎস:
মাছ-মাংস না খেলে দুধ ও ডিম থেকে অনেকটা প্রোটিন পাওয়া যায়—এক গ্লাস দুধে ৮ গ্রাম, একটি বড় ডিমে ৬ গ্রাম। ছানা, পনির বা ডিমের সঙ্গে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন যোগ করেও দৈনিক চাহিদা পূরণ সম্ভব।

ভেগানদের জন্য উদ্ভিজ্জ প্রোটিন:
সয়া, টোফু, ডাল, বাদাম, বীজ, বিভিন্ন সবজি থেকে পর্যাপ্ত প্রোটিন পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ—১০০ গ্রাম সয়া থেকে ৩০ গ্রাম, ১০০ গ্রাম টোফু থেকে ৪ গ্রাম, ডাল ও মটরশুঁটির প্রতি ১০০ গ্রাম থেকে ৭ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। রান্নার পরে এই পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে।

অন্যান্য উদ্ভিজ্জ উৎস:
রান্না করা কিনোয়া (১০০ গ্রাম) ৪ গ্রাম প্রোটিন, ওটস ৩ গ্রাম, পালংশাক, মিষ্টি আলু, ব্রকলি, কলা, পেয়ারা থেকেও কিছুটা প্রোটিন পাওয়া যায়। সুতরাং সচেতনভাবে খেলে শুধু উদ্ভিজ্জ উৎস থেকেও দৈনন্দিন প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : Jashore Now

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ