google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা: ঔপনিবেশিক শাসনের পুনরাবৃত্তি
প্রথম মহাযুদ্ধের পর ফিলিস্তিনে ব্রিটিশ শাসন চাপিয়ে দেওয়ার মতো দৃশ্য যেন আবারও ফিরে এসেছে। এবার ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, পরিস্থিতি অনুকূলে না আসা পর্যন্ত গাজা শাসনের দায়িত্বে থাকবে একটি আন্তর্জাতিক অন্তর্বর্তী প্রশাসন। এর নেতৃত্বে থাকবেন যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, আর বোর্ডের প্রধান হিসেবে থাকবেন ট্রাম্প নিজেই।
এই পরিকল্পনায় গাজাবাসীর মতামত বা অধিকার কোনোভাবেই বিবেচনায় আনা হয়নি। বরং হামাসকে প্রশাসনিক ভূমিকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার শর্ত দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাইরের ভাড়া করা সৈন্য-পুলিশ ব্যবহার করা হবে। সমালোচকরা বলছেন, পুরো পরিকল্পনা ঔপনিবেশিক শাসনের নতুন রূপ, যেখানে গাজা একটি “করপোরেশন” হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং গাজাবাসীর স্বাধীনতা প্রশ্নই উঠছে না।
সমালোচকদের মতে, ট্রাম্পের প্রস্তাব আসলে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রায় সব দাবি পূরণ করেছে—হামাসকে বাদ দেওয়া, গাজায় অনির্দিষ্টকালের জন্য সেনা মোতায়েন রাখা এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে অবাস্তব স্বপ্নে পরিণত করা।
তবুও কেউ কেউ বলছেন, গাজায় দীর্ঘদিনের রক্তপাত বন্ধ করতে এই প্রস্তাব আংশিক স্বস্তি বয়ে আনতে পারে। মিসর, আরব আমিরাতসহ কয়েকটি আরব দেশ ও পাকিস্তান–ইন্দোনেশিয়ার মতো মুসলিম রাষ্ট্র সতর্ক সমর্থন জানিয়েছে। তবে ফিলিস্তিনিদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বপ্ন এখনও অধরাই রয়ে গেছে।