ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রদল নেতা এস এম শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যা মামলায় সাতজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
গাঁজা বিক্রি নিষেধ করায় হত্যাকাণ্ড
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাঁজা বিক্রি করতে নিষেধ করায় শাহরিয়ারকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা সকলে মাদক কারবারি।
অভিযুক্তদের নাম
অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত সাতজন হলেন—মেহেদী হাসান, মো. রাব্বি ওরফে কবুতর রাব্বি, মো. রিপন ওরফে আকাশ, নাহিদ হাসান পাপেল, মো. হৃদয় ইসলাম, মো. হারুন অর রশিদ সোহাগ ওরফে লম্বু সোহাগ এবং মো. রবিন।
চারজনকে অব্যাহতির সুপারিশ
ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. আখতার মোর্শেদ জানিয়েছেন, অভিযোগপত্রে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। তাঁরা হলেন—তামিম হাওলাদার, সম্রাট মল্লিক, পলাশ সরদার ও সুজন সরকার।
হত্যার পটভূমি
গত ১৩ মে দিবাগত রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন শাহরিয়ার। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী এবং স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ছিলেন।
মামলার সূত্রপাত
পরদিন ১৪ মে সকালে শাহরিয়ারের বড় ভাই শরীফুল ইসলাম শাহবাগ থানায় ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
মামলার অগ্রগতি
ডিবি গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয় এবং শনিবার সকালে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়। তদন্ত সংস্থা জানিয়েছে, আদালতে অভিযোগ গঠন হলে মামলাটি দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ায় পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।