google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: জুলাই-সনদ-নিয়ে-রাজনৈতিক-সংকট:-কমিশনের-সুপারিশে-দেশ-নতুন-অনিশ্চয়তার-মুখে
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, ঐকমত্য কমিশন দেশ ও জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে। কমিশনের সুপারিশে অনেক বিষয় বদলে গেছে, যা আগে দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় ছিল না। বিশেষ করে, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সংক্রান্ত বিধানটি বিলুপ্ত করা সংক্রান্ত দলগুলোর সম্মতিটিই সুপারিশে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, পরবর্তী সংসদ ২৭০ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত না নিলে সংবিধানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তন যুক্ত হবে। এই প্রক্রিয়া নতুন রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার সৃষ্টি করছে। কমিশন কার্যত নির্বাচিত সংসদের পরিবর্তে একটি অনির্বাচিত প্রতিনিধি পরিষদ হিসেবে ক্ষমতা ধারণ করবে।
বিএনপি এবং অন্যান্য দলের দাবির মধ্যে রয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য আনা, নির্বাহী ও বিচার বিভাগের সম্পর্ক স্বচ্ছ করা। তবে কমিশন এসব ক্ষেত্রে নতুন কোনো কার্যকর প্রস্তাব দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
কমিশন সাংবিধানিক কাউন্সিল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে, যাতে বিদ্যমান রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে নতুন ক্ষমতার অংশীদার সৃষ্টি করা যায়। গণভোট আয়োজনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে, যা দেশের বাস্তবতায় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, জুলাই অভ্যুত্থানের লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য গণতান্ত্রিক সংসদের সক্রিয় ভূমিকা অপরিহার্য। তবে কমিশনের সুপারিশ এবং বাস্তবায়নের ঘাটতির কারণে জাতীয় নির্বাচন নতুন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
শুধু কাগজে-কলমে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন করে জনগণের ভোট ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির উন্নতি সম্ভব নয়। কার্যকর সংসদ এবং গ্রহণযোগ্য ভোটের মাধ্যমে জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন সম্ভব।