ক্যারিবিয়ান দেশ হাইতি ৫২ বছর পর আবার বিশ্বকাপ ফুটবলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। কানাডার আইস হকি কিংবদন্তি ওয়েন গ্রেটৎজকির হাতে হাইতির নাম উঠতেই অতিথিদের মধ্যে কৌতূহল দেখা দিয়েছে। ১৯৭৪ সালের পর এবার দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছে দেশটি।
হাইতি প্রথম বিশ্বকাপে খেলেছিল ১৯৭৪ সালে, যেখানে পোল্যান্ড, আর্জেন্টিনা ও ইতালির সঙ্গে একই গ্রুপে পড়েছিল। তিন ম্যাচের সবগুলো হারে হাইতি ২ গোল করেছিল, তবে হজম করতে হয়েছিল সর্বোচ্চ ১৪ গোল। মিউনিখে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে হেরেছিল ৪-১ গোলে।
২০২৬ বিশ্বকাপের ড্র অনুযায়ী, হাইতি সি গ্রুপে থাকবে, যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলো হলো ব্রাজিল, মরক্কো ও স্কটল্যান্ড। হাইতির ফরাসি কোচ সেবাস্তিয়ান মিগনে নেতৃত্বে দল কনক্যাকাফ বাছাইপর্বে নিকারাগুয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ শীর্ষস্থান অর্জন করে খেলার যোগ্যতা নিশ্চিত করেছে।
হাইতি তাদের ঘরের ম্যাচগুলো খেলেছে ৫০০ মাইল দূরের কুরাসাওয়ে। তবে হাইতির সমর্থকদের মধ্যে কতজন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে খেলা দেখতে পারবে তা প্রশ্নবিদ্ধ, কারণ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র হাইতির নাগরিকদের প্রবেশের অনুমোদন দিচ্ছে না।
হাইতির কোচ মিগনে বলেন, ‘এটা মিস্টার ট্রাম্পের ওপর নির্ভর করছে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, ব্রাজিলের মতো শীর্ষ দলের বিপক্ষে খেলাটা হাইতির মানুষের জন্য দারুণ সুযোগ এবং খেলোয়াড়দের জন্য ভবিষ্যতের জন্যও বড় প্রভাব ফেলবে।
হাইতির বিশ্বকাপ যাত্রা যদিও চ্যালেঞ্জপূর্ণ, তবে দল ও সমর্থকদের জন্য এটি ইতিহাসস্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে থাকবে।