google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: ব্যবসায়ীদের-সঙ্গে-আমরা-সৌজন্য-সাক্ষাৎ-করি-না:-লুৎফে-সিদ্দিকী
প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী বলেছেন, সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের যোগাযোগের সুযোগ খোলা থাকলেও তাঁরা ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’ ধরনের আনুষ্ঠানিকতা করেন না।
তিনি বলেন, “দেশের চেম্বার অব কমার্স বা অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ আছে। সবাই চাইলে সাক্ষাৎ করতে পারেন, এমনকি আমার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরও সবার কাছে আছে। তবে আমরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করি না—আমাদের কাছে সৌজন্য সাক্ষাৎ মানে ফুল দিয়ে ছবি তুলে চলে যাওয়া, যা আমরা করি না।”
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত বাংলাদেশ ট্র্যাভেল অ্যান্ড টুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
লুৎফে সিদ্দিকী জানান, সরকারের আন্তমন্ত্রণালয় বিনিয়োগ সমন্বয় কমিটিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, এনবিআর চেয়ারম্যান, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও বিডার চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট সবাই থাকেন।
তিনি বলেন, “আমরা সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করি। কোনো নীতিগত পরিবর্তন প্রয়োজন হলে সেটিও আমরা দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে নিই।”
তিনি আরও বলেন, “গত এক বছরে সাত-আটটি মিটিংয়ের মাধ্যমে আমরা বাস্তব অগ্রগতি অর্জন করেছি। কারও সমস্যা হলে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্ব নিয়ে সমাধানের চেষ্টা করি।”
দেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, “পর্যটন এমন একটি খাত, যা এখনো মানুষের সেবার ওপর নির্ভরশীল। প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগেও এই খাত কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সিঙ্গাপুরের মতো দেশ ঐতিহ্য না থাকলেও পর্যটনকে কাজে লাগিয়ে অর্থনীতি শক্তিশালী করেছে—আমাদেরও সে দিকেই নজর দিতে হবে।”
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান সায়মা শাহীন সুলতানা বলেন, বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহ্য, নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও খাদ্য সংস্কৃতি মিলিয়ে দেশটি দক্ষিণ এশিয়ার উদীয়মান পর্যটন গন্তব্য হতে পারে, তবে সুযোগগুলো এখনো পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়নি।
টোয়াবের সভাপতি মো. রাফেউজ্জামান বলেন, বিদেশি পর্যটকদের আগমন বাড়াতে হলে অন-অ্যারাইভাল ভিসার পরিবর্তে ই-ভিসা পদ্ধতি চালু করা প্রয়োজন। পাশাপাশি হোটেল, রিসোর্ট ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামের ওপর কর ছাড় দিলে এই খাত আরও বিকশিত হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এমডি ও সিইও মো. সাফিকুর রহমান, বাংলাদেশ টুরিজম বোর্ডের সিইও নুজহাত ইয়াসমিন, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি মো. মাইনুল হাসান এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নায়লা আহমেদ।