google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ১০ ডাকাতি
যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল সম্পদ বরাবরই দুর্ধর্ষ অপরাধীদের লোভ জাগিয়েছে। বিশেষ করে নিউইয়র্ক নগর বহুবার আলোচনায় এসেছে বড় বড় চুরি-ডাকাতির কারণে। বিমানবন্দর, হোটেল, আর্মার্ড ডিপো থেকে শুরু করে জাদুঘর—সব জায়গাতেই ঘটেছে অবিশ্বাস্য সব অপরাধ। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পরিকল্পনা ছিল নিখুঁত, যদিও অভিযুক্তদের কেউ কেউ ধরা পড়েছে, তবে লুট হওয়া সম্পদের বড় অংশ আর কখনো উদ্ধার হয়নি। ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাসের তথ্যের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে বড় ১০টি ডাকাতির ঘটনা এখানে তুলে ধরা হলো—
১. ইসাবেলা স্টুয়ার্ট গার্ডনার জাদুঘরে চুরি (১৯৯০, বোস্টন)
দুই ব্যক্তি পুলিশ সেজে জাদুঘরে ঢুকে ১৩টি শিল্পকর্ম চুরি করেন। মূল্য প্রায় ৫০ কোটি ডলার। এখনো কোনো চিত্রকর্ম উদ্ধার হয়নি।
২. ডানবার আর্মার্ড ডিপো ডাকাতি (১৯৯৭, লস অ্যাঞ্জেলেস)
সাবেক নিরাপত্তা পরিদর্শক অ্যালেন পেস তৃতীয় নেতৃত্ব দেন। ডাকাতেরা লুট করে ১ কোটি ৮৯ লাখ ডলার। উদ্ধার হয় মাত্র ৫০ লাখ।
৩. লুমিস ফার্গো ভল্ট চুরি (১৯৯৭, শার্লট, নর্থ ক্যারোলাইনা)
ভল্টের সুপারভাইজার গ্যান্ট লুট করেন ১ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। এফবিআই বেশির ভাগ উদ্ধার করলেও প্রায় ২০ লাখ ডলার নিখোঁজ।
৪. পিয়েরে হোটেল ডাকাতি (১৯৭২, নিউইয়র্ক)
আটজন অস্ত্রধারী অতিথিদের সেফ-ডিপোজিট বক্স লুট করে নেয় প্রায় ৩ কোটি ডলারের সম্পদ (বর্তমান মূল্যে)।
৫. সেন্ট্রি আর্মার্ড কার কোম্পানি ডাকাতি (১৯৮২, ব্রঙ্কস, নিউইয়র্ক)
ভেতরের কর্মীর সহায়তায় লুট হয় ১ কোটি ১০ লাখ ডলার। উদ্ধার হয় মাত্র ৯ লাখ ৬০ হাজার।
৬. ইউনাইটেড ক্যালিফোর্নিয়া ব্যাংক ডাকাতি (১৯৭২, ক্যালিফোর্নিয়া)
ডিনামাইট দিয়ে ছাদ উড়িয়ে সেফ-ডিপোজিট বক্স থেকে লুট করে প্রায় ৯০ লাখ ডলার।
৭. ওয়েলস ফার্গো ডিপো ডাকাতি (১৯৮৩, কানেকটিকাট)
লস মাচেটেরস সংগঠন লুট করে ৭০ লাখ ডলার। প্রহরী ভিক্টর গেরেনা আজও পলাতক।
৮. লুফথানসা কার্গো ডাকাতি (১৯৭৮, জেএফকে বিমানবন্দর, নিউইয়র্ক)
লুট হয় ৫০ লাখ ডলার নগদ ও ৮.৫ লাখ ডলারের গয়না। অধিকাংশ সম্পদ আজও নিখোঁজ।
৯. দ্য গ্রেট ব্রিঙ্কস ডাকাতি (১৯৫০, বোস্টন)
সাতজন মুখোশধারী লুট করে ২৭ লাখ ৭৫ হাজার ডলার। গ্রেপ্তার হলেও উদ্ধার হয় মাত্র ৬০ হাজার।
১০. ডাক বিভাগের ট্রাক ডাকাতি (১৯৬২, ম্যাসাচুসেটস)
দুই ব্যক্তি পুলিশ সেজে লুট করে ১৫ লাখ ডলার। এখনো অপরাধীদের খোঁজ মেলেনি।