google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: বারবার সময় ও ব্যয় বাড়লেও ধীরগতির ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর মেগা প্রকল্প
সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন মেগা প্রকল্প অনুমোদনের পাঁচ বছর পেরোলেও কাজ এগোয়নি উল্লেখযোগ্যভাবে। দুই বছরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত মাত্র ২২ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
প্রকল্পটি প্রথম অনুমোদন পায় ২০১৮ সালের ৭ নভেম্বর, ব্যয় ধরা হয় ২ হাজার ৩০৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। তবে একাধিকবার মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ১৭ সেপ্টেম্বর একনেক সভায় প্রকল্পের মেয়াদ তৃতীয় দফায় বাড়িয়ে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়। একই সঙ্গে ব্যয়ও ৪৭০ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা।
প্রকল্পের নকশা তৈরি করে কোরিয়ান প্রতিষ্ঠান ইয়োশিন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন ও হিরিম আর্কিটেক্ট অ্যান্ড প্ল্যানার্স। নির্মাণকাজের দায়িত্ব পায় চীনের বেইজিং আরবান কনস্ট্রাকশন গ্রুপ, যারা ২০২০ সালের মে মাসে কাজ শুরু করে। তবে নকশায় ত্রুটি ধরা পড়ায় কাজ বন্ধ হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা জানান, পূর্বের নকশা অনুসারে ভবিষ্যতে যাত্রী ও ফ্লাইট বৃদ্ধির কারণে নতুন টার্মিনাল ভবন ভাঙার ঝুঁকি ছিল।
যদিও টার্মিনাল ভবনের ১,৪৪৩টি পাইল, কার্গো টার্মিনালের ২৭২টি পাইল এবং প্রশাসনিক ভবনের ১২৯টি পাইল নির্মাণকাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। সংশোধিত নকশায় এসব কাঠামো ভাঙতে হবে না বলে প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
বেবিচক সূত্র জানায়, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বছরে প্রায় ২০ লাখ যাত্রী এই বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারবেন, যা বর্তমানে ৫ লাখ। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক রুট ও ফ্লাইট সংখ্যা বাড়বে। বর্তমানে এখান থেকে যুক্তরাজ্যের লন্ডন, ম্যানচেস্টার এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে সরাসরি ফ্লাইট চালু রয়েছে।
প্রকল্পের পরিচালক মইদুর রহমান মোহাম্মদ মওদুদ বলেন, "একনেকের অনুমোদন অনুযায়ী সংশোধিত প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে হলে গতি বাড়ানো ছাড়া বিকল্প নেই।"