google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যানজটের কবলে পড়লেন উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান সরাইল বিশ্বরোড পরিদর্শনে যানজটে
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বেহালদশা ও দীর্ঘ যানজট পরিস্থিতি পরিদর্শনে যাওয়ার পথে নিজেই তীব্র যানজটের কবলে পড়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার বিশ্বরোড মোড়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি।
সকালেই চট্টগ্রামগামী মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছে আশুগঞ্জ রেলস্টেশন পরিদর্শন করেন উপদেষ্টা। ১০টা ২০ মিনিটে আশুগঞ্জ থেকে সরাইল বিশ্বরোডের উদ্দেশ্যে রওনা হলে সোনারামপুর এলাকায় প্রায় দুই ঘণ্টা যানজটে আটকা পড়েন। পরে গাড়ি থেকে নেমে হাঁটতে শুরু করেন এবং বাহাদুরপুরে মোটরসাইকেলে চড়ে বিশ্বরোডের দিকে রওনা হন।
সঙ্গে ছিলেন উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী শেখ মঈনউদ্দীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম, পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক, এবং সড়ক ও জনপথের কর্মকর্তারা। সরাইল বিশ্বরোড মোড়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেন ও হাইওয়ে পুলিশ সুপার শাহীনুর আলম উপদেষ্টার জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়া অংশে দীর্ঘ যানজটের পর সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) মেরামত কাজ শুরু করেছে। সরাইল বিশ্বরোড গোলচত্বর ও সিলেটমুখী অংশে তিন স্তরে ইট ও বালু বিছানোর কাজ চলছে। ১২ মিটার প্রস্থ ও ১৯০ মিটার দৈর্ঘ্যে মোট চার লাখ ইট ব্যবহার করা হচ্ছে।
সরেজমিন পরিদর্শন ও সওজ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরকার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে যানজট নিরসনের উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে গতকাল বিকেল পর্যন্ত কাজের দৃশ্যমান মাত্রা ছিল মাত্র ৩০ শতাংশ। সমন্বয়হীনতা ও মন্থরগতির কারণে মহাসড়কে যানজট ও দুর্ভোগ বাড়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ গোলচত্বর থেকে হবিগঞ্জের মাধবপুর পর্যন্ত ৩৪ কিলোমিটার এলাকায় চার দিন ধরে যানজট অব্যাহত।
সরাইল ইউএনও মোশারফ হোসেন জানান, সকাল থেকে মহাসড়কে তীব্র যানজট আছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যানজট নিরসনে কাজ করছে।