google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: সংবাদ সম্মেলনে ক্যামেরা হাতে ম্যাক্স ও’ডাউড এবং নেদারল্যান্ডস ক্রিকেটার নোয়াহ ক্রস।
ম্যাক্স ও’ডাউড: ক্রিকেটার নয়, একদিনের সাংবাদিক
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট দলের অনুশীলনের জন্য গিয়েছিলেন ম্যাক্স ও’ডাউড। হাতে ক্যামেরা, পকেটে ফোন, মাথায় দলের ক্যাপ, গায়ে অনুশীলন জার্সি—সবকিছু ঠিক থাকলেও হঠাৎ তিনি থমকে যান সংবাদ সম্মেলন কক্ষের কাছে।
নেদারল্যান্ডসের কয়েকজন ক্রিকেটার তখন বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন। ভিডিও ধারণ করতে শুরু করেন ও’ডাউড। এরপর দলের মিডিয়া ম্যানেজার কোরে রুটগার্ডস জানান, আজ ম্যাক্স সাংবাদিক হিসেবে সংবাদ সম্মেলনে থাকবেন।
ছোট্ট কক্ষে সব চেয়ারই তখন সাংবাদিকদের দখল। ও’ডাউড একটি খালি চেয়ার পেয়ে সেখানে বসেন। নেদারল্যান্ডস দলের প্রতিনিধি নোয়াহ ক্রসের আগে একজন প্রতিবেদক ও’ডাউডকে প্রশ্ন করেন, “তুমি কি সত্যিই আজ সাংবাদিকের ভূমিকায় থাকবে?” মুখে হাসি নিয়ে ও’ডাউড উত্তর দেন, “অবশ্যই! এটাই হয়তো আমার ভবিষ্যতের চাকরি।”
সংবাদ সম্মেলনের সময় ও’ডাউড বেশ সক্রিয় ছিলেন। ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও ধারণ, ফোনে ছবি তোলা—সবই করলেন। প্রশ্ন করতে হাত তুললেন, নোয়াহ ক্রসকে প্রশ্ন করলেন তার ডাকনামের গল্প নিয়ে। ক্রস হাসিমাখা মুখে জানান, নামের সাথে তার পছন্দের বেসবল খেলোয়াড়ের সম্পর্ক রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনের শেষ দিকে ও’ডাউড আরও একটি প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশে তার পছন্দের ক্রিকেটার কে। ক্রস উত্তর দেন, “অনেকের নামই বলা যায়। আমি গত বছর মোস্তাফিজের বিপক্ষে খেলেছি—দারুণ এক অভিজ্ঞতা।”
সংবাদ সম্মেলন শেষে অনুশীলনে ফেরার পথে নিজের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করেন ও’ডাউড। একজন বাংলাদেশি সাংবাদিক বললে, “তুমি ভবিষ্যতে ভালো সাংবাদিক হতে পারবে,” তাতে উচ্ছ্বাস দেখা যায় তাঁর চোখে-মুখে। ক্রসও আশাবাদী, “আমার মনে হয় সে এখানে ক্যারিয়ার গড়তে পারবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সে অনেক সক্রিয়।”
কেউ জানে, কয়েক বছর পরে হয়তো নেদারল্যান্ডসের ম্যাচ কাভার করতে গিয়ে প্রেসবক্সে বাংলাদেশের অভাব পূরণ করবেন ও’ডাউড। কিন্তু ক্রসের কীর্তি নিয়ে তিনি কী লিখবেন—সেটা সময়ের সঙ্গে দেখা যাবে।