রাজবাড়ীতে জুলাই যোদ্ধা রিকশাচালক শওকত মণ্ডলের (৪৮) আকুতি পূরণ হয়েছে। তাঁর স্ত্রী আকলিমা বেগমের ডান পায়ে হাইটেক কৃত্রিম পা সংযোজন করা হয়েছে।
সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত গাজীপুরের টঙ্গীর ব্রেইলপ্রেস ও আর্টিফিশিয়াল লিম্বস সেন্টারের তত্ত্বাবধানে দুই সপ্তাহ চিকিৎসা শেষে গত রোববার রাতে দম্পতি রাজবাড়ী ফিরেছেন। এই চিকিৎসার জন্য রোটারি ক্লাব ঢাকার আর্থিক সহযোগিতায় প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।
শওকত মণ্ডল জানান, ক্রাচের সাহায্যে চলাফেরা করা এখন অতীত; কৃত্রিম পা লাগানোর পর আকলিমা স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছেন। তিনি বলেন, ‘আপনাদের সহযোগিতায় এখন তেমন কষ্ট নেই। রান্না-খাওয়ারও সমস্যা হবে না।’
আকলিমা বেগমও বলেন, ‘আগে চলাফেরা করতে অনেক কষ্ট হতো। স্বামীর আয়ের ব্যবস্থা না থাকায় পায়ের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। এখন এই হাইটেক পায়ের মাধ্যমে স্বাভাবিকভাবে চলতে পারছি।’
শওকত মণ্ডল ২০১৫ সালে পরিবারকে গ্রামে পাঠান, কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার সময় তিনি নিজেই গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ কার্ড দেওয়া হয়। এই পরিশ্রম ও ত্যাগের ফলস্বরূপ আকলিমা বেগমের পায়ের কৃত্রিম সংযোজন সম্ভব হয়েছে।