google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত গাজা শহরের ধ্বংসস্তূপে খাদ্যের সন্ধানে মানুষ
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় আনুষ্ঠানিকভাবে ‘দুর্ভিক্ষ’ শুরু হয়েছে—এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের বৈশ্বিক ক্ষুধা ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থা আইপিসি। একইসঙ্গে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর ভয়াবহ নতুন হামলায় পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যাচ্ছে। বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সৌদি আরব। খবর দিয়েছে সৌদি প্রেস এজেন্সি।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) এক বিবৃতিতে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় ইচ্ছাকৃতভাবে খাদ্যাভাব সৃষ্টি ও দুর্ভিক্ষের মধ্যে নতুন হামলার ঘটনা গভীর উদ্বেগজনক। তারা বলেছে, আইপিসির রিপোর্ট ও দুর্ভিক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর স্পষ্ট হয়েছে যে, ফিলিস্তিনি জনগণ ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে।
সৌদি আরও জানায়, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী অসহায় বেসামরিক মানুষের ওপর যে গণহত্যার অপরাধ চালাচ্ছে, তা কঠোর নিন্দার যোগ্য। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যদি অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ না নেয় তবে এই দুর্ভিক্ষ এবং গণহত্যার দায় তাদের ওপরও বর্তাবে। বিশেষ করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের নৈতিক অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে থাকবে।
এদিকে আইপিসি জানিয়েছে, গাজা শহর ও আশপাশের এলাকা এখন খাদ্য সংকটের সর্বোচ্চ স্তর—পঞ্চম ধাপে পৌঁছেছে। অর্থাৎ মানুষজন সম্পূর্ণ অনাহারে রয়েছে, খাওয়ার মতো কোনো খাবার পাচ্ছে না।
গাজার পাশাপাশি দেইর এল-বালাহ এবং খান ইউনিসেও খাদ্য পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে। আইপিসির সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ এ দুটি শহরেও দুর্ভিক্ষ শুরু হতে পারে। সে ক্ষেত্রে গাজাজুড়ে প্রায় ৫ লাখের বেশি মানুষ সরাসরি দুর্ভিক্ষের শিকার হবেন।